মুম্বই: গ্ল্যামার দুনিয়ার অন্ধকার দিকগুলোই কেন্দ্রীয় ভাবনা হিসেবে উঠে আসে তাঁর পরিচালনায়। ‘পেজ থ্রি’, ‘ফ্যাশন’, ‘চাঁদনি বার’ এর মতো ছবির পরিচালক মধুর ভান্ডরকরের নিজের জীবনও ক্রমশই ছেয়ে যাচ্ছিল সেই রকম কিছু অন্ধকার অধ্যায়ে। পরিচালককে খুনের চেষ্টায় তিন বছরের জেল হল মুম্বই-এর মডেল প্রীতি জৈন-এর। ভান্ডরকরকে খুনের ষড়যন্ত্রে দোষী প্রমাণিত হয়েছিলেন আগেই। শুক্রবার প্রীতির সাজা ঘোষণা করল মুম্বই-এর এক নিম্ন আদালত। তবে সেই সাজা লাগু হবে চার সপ্তাহ পরে। নিম্ন আদালত সাজা হিসাবে প্রীতির তিন বছরের জেল এবং ১০হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেছে।

২০০৪ সালে প্রীতি অভিযোগ করেন সিনেমায় সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছেন পরিচালক। মধুরের বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের মধ্যে একাধিক বার তাঁকে ধর্ষণ করার অভিযোগও দায়ের করেছিলেন প্রীতি। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মামলা গড়ালেও পরিচালক মধুরকে নির্দোষ বলে শীর্ষ আদালত।

গ্যাংস্টার অরুণ গাঊলির দুই সহযোগী নরেশ পরদেশী এবং শিবরাম দাসের সাহায্য নিয়ে পরিচালক ভান্ডরকরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন প্রীতি । এই উদ্দেশ্যে তাদের ৭৫০০০ টাকা দিয়েছিলেন প্রীতি। পরে টাকা ফেরত চাওয়ায় পুলিশকে বিষয়টি নিয়ে সর্তক করেন অরুণ। তার ভিত্তিতেই নতুন করে শুরু হওয়া মামলার রায় দিল নিম্ন আদালত। শুক্রবার প্রীতির সাজা ঘোষণার পর পরই জামিনের জন্য আবেদন করেন প্রীতি। তাঁর আইনজীবী বিচারপতির কাছে আবেদন করেন, যে হেতু তিনি এক জন মহিলা, তাঁকে যেন ন্যূনতম শাস্তি দেওয়া হয়। প্রীতির পাশাপাশি ষড়যন্ত্রে তাঁকে সাহায্য করার শাস্তি হিসেবে তিন বছরের জেল হয়েছে নরেশ পরদেশী এবং শিবরাম দাসের।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here