ওয়েবডেস্ক: কয়েক মাস আগেই খবরের শিরোনামে এসেছিল মেয়েটা। ওড়িশার কেন্দ্রাপড়া জেলায় ভগবদগীতার আবৃত্তিতে প্রথম হয়েছিল বছর পাঁচেকের এক মেয়ে। নাম ফিরদৌস। আবাসিক স্কুল শোভনীয় শিক্ষাশ্রমের ছাত্রী সে দিন কিন্তু তারই ক্লাসের ৫৫ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে পেয়েছিল সেরার তকমা। ছ’ মাসও কাটেনি, এরই মধ্যে ফিরদৌসকে ছাড়তে হল তার স্কুল। বেশ কিছু দিন ধরে মৌলবীদের হুমকি শুনে ওর অভিভাবকরাই নতুন স্কুলে ভর্তি করলেন মেয়েকে।

কোরান না পড়ে মেয়ে গীতা পড়ছে, এই ঘটনা ভালো চোখে দেখেননি অনেকেই। ফিরদৌসের আত্মীয়পরিজন থেকে শুরু করে ধর্মগুরু, সমালোচনা করেছেন অনেকেই। দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে একাই ওড়িশায় থাকেন ফিরদৌসের মা আরিফা বিবি। বাবা শেখ কুদুস কর্মসূত্রে থাকেন সৌদি আরবে। চার পাশ থেকে নানা চাপ আসতে থাকায় ছেলেমেয়ের স্কুল বদলে ফেলার ব্যাপারে আরিফা বিবিকে রাজি করান তাঁর স্বামীই।

স্থানীয় মসজিদের এক মৌলবী ঘটনার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ জানিয়েছেন, “স্কুল বদলে ফেলে ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফিরদৌসের অভিভাবক। স্কুলের কাজ তো সাম্যের এবং ন্যায়ের শিক্ষা দেওয়া। ধর্মশিক্ষা স্কুল কেন দেবে?” আরিফা বিবি অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ের জন্য তিনি গর্বিত এবং সব কৃতিত্বই তিনি দিয়েছেন মেয়ের পুরোনো স্কুলকেই।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন