লকডাউন অমান্য করলেই হাজতবাস, রাজ্যগুলিকে বলল কেন্দ্র

প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাস (Coronavirus) লকডাউন লঙ্ঘন বা আধিকারিকদের কাজে বাধা দিলে এক থেকে দুই বছরের জন্য হাজতবাসে পাঠানো উচিত। দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী অথবা পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে কেন্দ্র বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারগুলিকে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল।

আইন অনুযায়ী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী অথবা সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে এক বছর পর্যন্ত কারাবাসের নিয়ম রয়েছে। অন্য দিকে এ ধরনের ঘটনায় কারও মৃত্যু হলে দু’বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গবা লিখিত ভাবে রাজ্য সরকারগুলির উদ্দেশে বলেন, আইন অনুযায়ী এ ব্যাপারে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, যারা টাকার জন্য মিথ্যা দাবি করবে, তাদের দুই বছরের জেল হতে পারে। অন্য দিকে মিথ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গুজব ছড়ালে কোনো ব্যক্তির এক বছরের জন্য হাজতবাস হতে পারে।

গত ২৪ মার্চ লকডাউন নির্দেশিকায় রাজ্যগুলিকে বলা হয়, আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট, ২০০৫ এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ অনুচ্ছেদের অধীনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সে ক্ষেত্রে জেল ও জরিমানা দু’টিই হতে পারে।

এ দিন জানা যায়, সারা দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ১,৯৬৫, মৃত কমপক্ষে ৫০ জন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে লকডাউন চলছে সারা দেশে। এ দিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সাফ জানিয়ে দেন, লকডাউনের উঠে যাওয়া মানেই অবাধ বিচরণ নয়। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: কোভিড-১৯: পরের কয়েকটি সপ্তাহে যে বিষয়গুলিতে গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.