‘৯৩-এর মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম চক্রী মুস্তফা দোসার হৃদরোগে মৃত্যু

0
275

মুম্বই : ১৯৯৩-এর মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম চক্রী মুস্তফা দোসা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল। মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, এ দিন বেলা আড়াইটে নাগাদ মুম্বইয়ের জে জে হাসপাতালে উচ্চরক্ত চাপ ও বুকে ব্যথার কারণেই মৃত্যু হল তার। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির এক ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায় সে।

জে জে হাসপাতালের ডিন ডাঃ টি পি লাহানে জানান, ‘হৃদরোগে আক্রান্ত’-এ মৃত্যু হয় মুস্তফার। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তিন জন চিকিৎসকের একটি প্যানেলের তত্ত্বাবধানে ও পুলিশের নজরদারিতে ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না বেরোনো পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।

 

ডাঃ লাহানে জানান, ভোর ৩টে নাগাদ মুস্তফাকে ভর্তি করা হয়। বুকে ব্যথা, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ ও সংক্রমণের সমস্যা নিয়ে মুস্তফাহাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

বিশেষ টাডা (টেররিস্ট অ্যান্ড ডিসরাপটিভ (প্রিভেনশন) অ্যাক্ট) আদালতে মুস্তফা তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছিল। সে তার হৃদয়ের অস্ত্রোপচারের (বাইপাস) অনুমতিও চেয়েছিল। মঙ্গলবারই আদালতে মুস্তফার মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেছিল সিবিআই।

সিবিআই আধিকারিক দীপক সালভি টাডা আদালতে বলেন, এই মুম্বই ষড়যন্ত্রের পেছনে যাদের হাত রয়েছে তার মধ্যে প্রধান হল এই মুস্তফা। গোটা ষড়যন্ত্রটাই এরই মস্তিষ্ক প্রসূত। মুস্তফাই সব থেকে বেশি দোষী। ষড়যন্ত্রের নকশা করার জন্য এরা প্রথম জমায়েত করেছিল মুস্তফার দুবাইয়ের বাড়িতে। এর নির্দেশেই সকলে চালিত হয়েছে। মুস্তফাই এই কাজের জন্য অর্থ, অস্ত্র, বিস্ফোরক জোগাত। পাকিস্তানে লোক পাঠাত অস্ত্রের প্রশিক্ষণের জন্য। তিনি বলেন, মুস্তফা নারকীয় ঘটনা ঘটিয়েছে, দেশ আর দেশবাসীর প্রতি কোনো রকম মায়া করেনি সে।

টাডা আদালত মুসতাফা-সহ পাঁচ জন অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে।

উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চের মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিলেন ২৫৭ জন। এই মুম্বই হামলা নিয়ে মামলা চলেছে দু’ দফায়। প্রথম দফায় ২০১৫ সালে ১০০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের মধ্যে ইয়াকুব মেমনকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here