m nageswara rao
এম নাগেশ্বর রাও

চেন্নাই: বুধবার ভোররাতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অলোক বর্মাকে। ‘অনাকাঙ্ক্ষিত জরুরি’ পদক্ষেপ হিসাবে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কেন্দ্রের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বুধবার ডিএমকে সভাপতি এম কে স্ট্যালিন প্রশ্ন করেন, রাফাল চুক্তি সংক্রান্ত তদন্তের স্বার্থেই কি সিবিআই অধিকর্তাকে আকস্মিক ভাবে হল। অন্য দিকে অন্তর্বর্তীকালীন অধিকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা এম নাগেশ্বর রাওয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি।

স্ট্যালিন বলেন, “রাতারাতি সিদ্ধান্ত নিয়ে এম নাগেশ্বর রাওয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই কি আদৌ করেছে কেন্দ্র? সাম্প্রতিক অতীতে নাগেশ্বরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সে সব অভিযোগ খোদ সিবিআইয়ের হাতেও পৌঁছেছে। যে অভিযোগগুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই অলোক বর্মা তদন্তের কাজও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন”।

রাফাল তদন্তের সঙ্গে সিবিআই অধিকর্তার অপসারণের যোগ সূত্র হিসাবে স্ট্যালিনের যুক্তি, আসলে অনাকাঙ্ক্ষিত জরুরি বদলের দোহাই দিয়ে অলোক বর্মার অপসারণ রাফাল সংক্রান্ত অভিযোগগুলিকে ঢাকার প্রয়াস বলেই মনে হতে পারে। এটা ভীষণ কষ্টদায়ক পরিস্থিতি যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সিদ্ধান্তগুলি জরুরি অবস্থার সৃষ্টি করছে। সিবিআই অধিকর্তা যেখানে পূর্ণ মেয়াদের সুবিধা পান, সেখানে এ ধরনের স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত সন্দেহ তৈরিতে যথেষ্ট।

প্রত্যক্ষ অভিযোগে স্ট্যালিন বলেন, নাগেশ্বর এক জন ‘বিতর্কিত’ আধিকারিক। এমন একজনকে সিবিআইয়ের শীর্ষপদে বসিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। তথ্য-সহ তিনি বলেন, নাগেশ্বর দক্ষিণ ভারতের সিবিআইয়ের যুগ্ম-অধিকর্তা ছিলেন। তামিলনাড়ুর শাসক দল এআইএডিএমকের সঙ্গে তাঁর সদ্ভাব রয়েছে। যে দলের একাধিক নেতা গুটখা-কাণ্ডে অভিযুক্ত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here