নয়াদিল্লি: ২০২২-এর মধ্যে ‘নতুন ভারত’ দেখতে চান তিনি। সেই জন্য সমস্ত রাজ্যকে পরিকাঠামো উন্নয়নের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার নীতি আয়োগের তৃতীয় বৈঠকে এমন দিশাই দেখালেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দিল্লির অরিবিন্দ কেজরিওয়াল ছাড়া সমস্ত রাজ্যেরই মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মোদীর কথায় ২০২২, অর্থাৎ স্বাধীনতার ৭৫ বছরের মধ্যে ‘নতুন ভারত’ করতে তিনি বদ্ধপরিকর।  সেই জন্য দরকার সমস্ত রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় এবং সহযোগিতা।

মোদীর এই স্বপ্নপূরণের জন্য নীতি আয়োগ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি জানান, “পনেরো বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সাত বছরের মাঝারি মেয়াদি পরিকল্পনা এবং তিন বছরের কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে নীতি আয়োগ।”

এর পাশাপাশি মোদী বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধান বাধা সঠিক পরিকাঠামো। সড়ক, রেল, বন্দর, বিদ্যুতের মতো পরিকাঠামোগত খাতে আরও ব্যয় বাড়ানোর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “পরিকাঠামো তৈরি এবং মূলধন ব্যয় বাড়াতে হবে রাজ্যগুলিকে।”

এর পাশাপাশি বাজেট এগিয়ে আনার প্রসঙ্গে মোদী বলেন, এর ফলে অর্থনৈতিক বছরের শুরুতেই সব খাতে বরাদ্দ টাকা সংসদে অনুমোদিত হয়ে যাবে। তাঁর কথায়, “গত বছর পর্যন্ত মে’র আগে বরাদ্দ টাকা সংসদ অনুমোদন করতে পারত না। এর পর এই ব্যাপারে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং রাজ্যকে জানানো হত, ততক্ষণে বর্ষা শুরু হয়ে যেত। সব মিলিয়ে কাজ করার ভালো সময়টাই পেরিয়ে যেত।”

এ ছাড়াও পণ্য পরিষেবা করের পক্ষেও জোরদার সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “এক দেশ, এক লক্ষ, এক প্রতিজ্ঞার কথা বলে এই পণ্য পরিষেবা কর।”

উল্লেখ্য, এই বৈঠকে মমতা এবং কেজরিওয়াল উপস্থিত না থাকলেও, অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন ত্রিপুরার মানিক সরকার, পঞ্জাবের অমরিন্দর সিংহ এবং কর্নাটকের সিদ্ধারামাইয়া।