mahanama

বারাণসী: তিন বছর আগে যে দু’টি কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচন লড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, সে দু’টি শহরের মধ্যে সংযোগস্থাপনকারী ট্রেনের সূচনা করলেন তিনি। শুক্রবার বারাণসী থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে এই ট্রেনের যাত্রা শুরুর ঘোষণা করেন তিনি।

একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধনের জন্য শুক্রবার বিকেলে বারাণসী পৌঁছোন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর মধ্যেই ছিল মহামনা এক্সপ্রেসের উদ্বোধন। উদ্বোধনের সময়ে বডোদরা স্টেশনে ছিলেন রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়াল এবং সুরত স্টেশনে ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী মনোজ সিনহা। বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী রেলযাত্রা সূচনা করতেই বডোদরা থেকে বারাণসীর উদ্দেশে রওনা দেয় এই ট্রেন।

হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সভাপতি মদনমোহন মালব্যের স্মরণে এই ট্রেনের নাম দেওয়া হয়েছে মহামনা এক্সপ্রেস। বর্তমানে ভারতের দু’টি রুটে মহামনা এক্সপ্রেস নামক ট্রেন চলেছে। একটি ট্রেন চলে নয়াদিল্লি এবং বারাণসীর মধ্যে, অপরটি চলে ভোপাল এবং খাজুরাহোর মধ্যে। তবে এই নতুন এই মহানামা এক্সপ্রেসের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

এই ট্রেনে থাকবে একটি এসি ফার্স্ট ক্লাস কামরা, দু’টি এসি টু-টায়ার কামরা, আটটা স্লিপার কামরা, চারটে সাধারণ কামরা এবং একটি প্যান্ট্রি কার। এই ট্রেনে কোনো এসি থ্রি টায়ার কামরা থাকছে না। ১৫৩১ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে ট্রেনটি সময় নেবে সাড়ে ২৭ ঘণ্টা। প্রতি শুক্রবার ট্রেনটি বারাণসী থেকে ছাড়বে। বডোদরা থেকে প্রতি বুধবার যাত্রা করবে এই ট্রেন। বডোদরা এবং বারাণসীর মধ্যে ভরুচ, সুরত, অমলনের, ভুসাওয়াল, ইটারসী, জবলপুর, কাটনি, সতনা এবং ছিওকীতে দাঁড়াবে এই ট্রেন।

ট্রেনটির অন্দরসজ্জায় নতুনত্ব আনা হয়েছে। ওপরের বার্থে ওঠার জন্য নতুন ধরনের সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে। সাইডের বার্থের যাত্রীদের জন্য স্ন্যাক্স টেবিল থাকবে এই ট্রেনে। নতুন ধরনের জানলা থাকবে এই ট্রেনে। পুরো ট্রেনে এলইডি আলো দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটা বার্থে এই বিশেষ ধরনের আলো থাকবে। এর ফলে গভীর রাতে কেউ ট্রেনে উঠলে, তাঁর বার্থ খুঁজতে অসুবিধা হবে না।

ট্রেনে বাথরুমও নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে। একজস্ট ফ্যান এবং ডাস্টবিন ছাড়াও থাকবে বড়ো বেসিন এবং বড়ো আয়না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here