modi-rahul

ওয়েবডেস্ক: সিএসডিএস-লোকনীতি দেশের মানুষের রাজনৈতিক মেজাজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্প্রতি একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করছে। যা থেকে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির ভ্রু কুঁচকালেও বিরোধী শিবিরে যথেষ্ট খুশির হাওয়া।

ওই সমীক্ষায় স্পষ্টতই সমীক্ষকরা উপলব্ধি করেছেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের মুখ হিসাবে পরিচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা নিম্নমুখী। বিগত চার বছর দেশ চালানোর পর তাঁর কাছে মানুষের যে প্রত্যাশা বা সাধারণ মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই খামতি ধরা পড়ছে বৃহত্তর অংশের জনমানসে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আর্থিক সম্প্রদায়ের মানুষকে তিনি যে আচ্ছে দিন-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সমীক্ষা বলছে, মানুষ তার প্রতিফলন দেখতে অপারগতার কথাই তুলে ধরছে। হ্যাঁ, এ কথা অনস্বীকার্য বিজেপি সরকারের মুখ্য চরিত্র হিসাবে মোদী একাধিক নীতি বা পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু সেগুলি সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, সে সব নিয়ে চিন্তাভাবনার অভাব থেকে গিয়েছে।

অন্য দিকে গুজরাত বিধানসভার নির্বাচন পরিচালনা এবং দলের সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে রাহুলের প্রতি আস্থা দেখানো মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বিজেপি-বিরোধী দলগুলিকে একত্রিত করার যে প্রয়াস চলছে, সে ক্ষেত্রে রাহুলের ভূমিকাও অনেকের কাছে বেশ সদর্থক ঠেকছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন কি না, বা হতে চাইবেন কি না- সে সব প্রশ্ন ব্যতিরেকেওও রাহুলের প্রতি এই আস্থা বৃদ্ধির কারণ, মোদী-বিরোধী হাওয়া। রাহুল কোনো মন্ত্রী হননি, ফলে তিনি দেশের মানুষকে বিশেষ কিছু পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেননি। দলীয় ভাবে উন্নয়ন বা অপশাসন নিয়ে তিনি শুধু মাত্র বর্তমান সরকারের বিরোধিতা করেন। প্রতিষ্ঠান-বিরোধী মানসিকতার মানুষকে তাই রাহুল সহজেই প্রভাবিত করতে পারছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here