দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে অন্য সব ইস্যুকে ছাপিয়ে গেল জাতীয় সুরক্ষা!

0
Voter Slip

ওয়েবডেস্ক: সোমবার মহারাষ্ট্র বিধানসভার ভোট মিটতেই একে একে প্রকাশিত হল বুথফেরত সমীক্ষা। সবক’টি সমীক্ষক সংস্থার মতেই, ফলাফলে পাল্লাভারী বিজেপির। এর পরই বিজেপির এই সম্ভাব্য প্রত্যাশা পূরণের কারণ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ঠিক কী কারণে গত ২০১৪ বিধানসভার ফলাফলকে ছাপিয়ে যেতে পারে এ বারের ভোটে বিজেপি-শিবসেনা জোটের সাফল্য?

পিছন ফিরে তাকালে দেখা যাচ্ছে, গত ২০১৪ সালে মহারাষ্ট্রে ভোট পড়েছিল ৬৩.৩৮ শতাংশ। এ বারে সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে ভোটদানের পরিমাণ ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা নাগাদ মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ৫৩.৮৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই হার যে আরও কিছুটা বাড়বে। কিন্তু গতবারের তুলনায় এ বারের প্রদত্ত ভোট শতাংশ যে আহামরি কিছু বাড়বে,তেমনটাও নয়। কিন্তু বুথফেরত সমীক্ষাগুলি জানাচ্ছে, গতবারের থেকে জোটের আসন সংখ্যা কিন্তু বাড়বে। কতটা বাড়বে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে-

  • ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া বুথফেরত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৮৮-আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপি-শিবসেনা জোট পেতে পারে ১৬৬-১৯৪টি আসন। অন্য দিকে কংগ্রেস-এনসিপি জোট জিততে পারে ৭০-৯০টি আসন।
  • অন্যান্য বুথফেরত সমীক্ষাগুলির মধ্যে টাইমস নাও বলছে, বিজেপি-শিবসেনা পেতে পারে ২৩০টি আসন। সে ক্ষেত্রে কংগ্রেস-এনসিপি জোটের দখলে যেতে পারে ৪৮টি আসন।
  • নিউজ১৮-ইপসোস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা অনেকটা এগিয়ে রেখেছে বিজেপি-শিবসেনা জোটকে। তাঁদের সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, বিজেপি-শিবসেনা এবং কংগ্রেস-এনসিপি জোটের দখলে যেতে পারে যথাক্রমে ২৪৩ এবং ৪১টি আসন।
  • অন্য দিকে, এবিপি-সি ভোটার বিজেপি-শিবসেনাকে ২০৪টি এবং কংগ্রেস-এনসিপিকে ৫৯টি আসন দিয়েছে।

এহেন বুথফেরত সমীক্ষা দেখেই বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় সুরক্ষা অন্য যে কোনো ইস্যুর থেকে অগ্রাধিকার আদায় করে নেয়। একই সঙ্গে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বা তিন তালাক বিলও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠেছে।

কতকটা একই ছবি ফুটে উঠছে হরিয়ানাতেও। একাধিক সমীক্ষক সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিজেপির প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ৭০ ছুঁয়ে ফেলতে পারে। অন্য দিকে কোনো রকমে দুই অঙ্কের সংখ্যায় পৌঁছাতে পারে।

গত লোকসভা ভোটের মতোই এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোদী-শাহ জুটি জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করতে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের মূল কারিগর। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বিরোধীরা সরব হয়। যে কারণে দুই রাজ্যের ভোটপ্রচারে প্রতিটি সভায় তাদের সমালোচনার মাধ্যমে আক্রমণ চালিয়েছেন মোদী-শাহ। প্রধানমন্ত্রী মোদী কংগ্রেসকে উদ্দেশ্য করে এমনটাও বলেছিলেন যে, তারা মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানায় ক্ষমতায় এলে সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে।

Shah and Modi
অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদী। ফাইল ছবি

অন্য দিকে ভোটগ্রহণের ঠিক আগের দিনই পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় সুরক্ষার প্রশ্নে এ মুহূর্তে সব থেকে সজাগ হওয়ার বিষয়টিকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

উল্লেখ্য, দুই রাজ্যেই ২৪ অক্টোবর ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

------------------------------------------------
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.