Connect with us

দেশ

গোমতীর বুক চিরে আবার পণ্য পরিবাহিত হবে ত্রিপুরায়

ঋদি হক: ঢাকা

খুব শিগগিরই গোমতী নদী (Gomati River) খনন কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ (Bangladesh)। বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক নৌ-প্রোটোকলের আওতায় নতুন যুক্ত নৌপথ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ত্রিপুরার সোনামুড়া। বাংলাদেশের দাউদকান্দি ল্যান্ডিং ট্রার্মিনাল থেকে পণ্য নিয়ে গোমতীর বুক চিরে পণ্য পরিবাহিত হবে। সম্ভাবনাময় এই নৌপথটি চালু করতে খননকাজে হাত লাগাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের নৌ মন্ত্রকের সচিব মেজবাউদ্দিন চৌধুরী এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ প্রোটোকলের দ্বিতীয় সংযোজনে ইতিমধ্যেই স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশের নৌ পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (Khalid Mahmud Chowdhury) বলেন, ভারত চট্টগ্রাম ও মোংলা পোর্ট ব্যবহার শুরু করলে, এখানে কর্মচাঞ্চল্যতা আরও বাড়বে। বিশেষ করে নৌবাণিজ্যে বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে। ভারতের দেওয়া ৬০০ কোটি টাকা ঋণে মোংলা বন্দর উন্নয়নে প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। আউটারে ১০ মিটার পর্যন্ত ড্রেজিং করা হয়েছে। মোংলা পোর্টের সক্ষমতা বেড়েছে বহু গুণ। বলা যায়, নৌবাণিজ্যে বাংলাদেশে এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ১০০ দিন পেরোলেও চ্যাংরাবান্ধা এখনও বন্ধ, ডেমারেজ গুনছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। যোগাযোগ ক্ষেত্রেও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। মোংলা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি রেলপথ চালু হচ্ছে। পদ্মাসেতু নির্মাণও এগোচ্ছে দ্রুত। স্বপ্নের নয়, এই সেতু এখন বাস্তব রূপ নিচ্ছে। করোনা মহামারির মধ্যেই শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়ন-রথ চলমান, তাতে সে দিন আর বেশি দূরে নেই, যে দিন বাংলাদেশ এই তল্লাটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, “আমরা খাদ্যেও স্বনির্ভরতা অর্জন করেছি। আমদানি নয়, খাদ্য রফতানিতেও বাংলাদেশ সক্ষম। 

ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশকে ঘিরে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিকাশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বলা যায়, নৌবাণিজ্যে ভারত-বাংলাদেশ এক সোনালি অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিবিআইএন (Bangladesh Bhutan India Nepal) আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে যে মানুষটি নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ (Abdul Matlub Ahmad)। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের যে সক্ষমতা রয়েছে, তার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে নৌপথে পণ্য পরিবহণ আরও বাড়াতে হবে। তা করতে পারলে অর্থনৈতিক ভাবে উভয় দেশই লাভবান হবে।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে নৌবাণিজ্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০টি নৌপথ চালু রয়েছে। বহু দিনের কাঙ্ক্ষিত ত্রিপুরার সোনামুড়া-দাউদকান্দি নৌপথটিও (Sonamura-Daudkandi Route) এ বারে যুক্ত হল। শিগগিরই গোমতী নদীর খনন শুরু হবে। এর সমীক্ষা আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এ সব কথা জানালেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেছেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সোনামুড়া গোমতী নদীতে অস্থায়ী জেটি বসানোর কাজ শুরু হবে। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরার এক সভায় এ কথা বলেন। সোনামুড়া-দাউদকান্দি জলপথকে আন্তর্জাতিক প্রোটোকল রুট হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ায় উভয় দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক আদানপ্রদান যে বৃদ্ধি পাবে, সে কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতে ত্রিপুরার অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে সময় বাঁচবে এবং খরচও কম হবে। ফলে তাঁর রাজ্যে বাড়বে শিল্পের সম্ভাবনাও। এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতির জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজ্যবাসীর তরফে ধন্যবাদ জানান বিপ্লববাবু।

দেশ

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

নয়াদিল্লি: ফের ভূমিকম্প হল রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ এই কম্পনের জেরে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও এই কম্পনের ফলে কোনো হতাহতের খবর নেই।

শুক্রবার এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে ৬৩ কিমি দূরে।

এপ্রিল থেকেই কম্পনের হিড়িক লেগেছে দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকায়। সব কম্পনই ২ থেকে সাড়ে চার মাত্রার মধ্যে হয়েছে। এই কম্পনের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আগামী দিনে আরও বড়ো কোনো কম্পন হবে কি না।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ছোটো কম্পনগুলো আসন্ন বড়ো কোনো কম্পনের ইঙ্গিত আদৌ দেয় না।

শুক্রবার ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প হয়েছে। এ দিন সকালে মিজোরামের চাম্ফাইয়ে ৪.৫ মাত্রার একটি কম্পন হয়। এর পর ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন হয় কার্গিলে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও এ দিন ৫.২ মাত্রার একটি কম্পন হয়। উৎসস্থল ছিল পুনে থেকে ২২৫ কিমি দূরে বারশিতে।

Continue Reading

দেশ

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চাপের মুখে পড়ে নতি স্বীকার করল নাগাল্যান্ড সরকার। রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।

শুক্রবার এই বিষয়েই টুইট করে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেনজেন টয় বলেন, “কুকুরের বাণিজ্যিক রফতানি এবং কুকুরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। কাঁচা বা রান্না করা, কোনো ধরনের মাংসই আর বিক্রি করা যাবে না।”

উল্লেখ্য, কিছু দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল যে বস্তায় করে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন একজন টুইটার ব্যবহারকারী।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধীও। কুকুর এ ভাবে আমদানি বা রফতানি বন্ধ করার জন্য নাগাল্যান্ড পুলিশের কাছেও আবেদন করেন মানেকা। এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই মাংসের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হল নাগাল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, উত্তরপূর্ব ভারতে, বিশেষত নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। এই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো আইনও নেই। এ ছাড়া খরগোশ আর বাঁদরের মাংসও ব্যাপক ভাবে খাওয়া হয় এই সব অঞ্চলে।

Continue Reading

দেশ

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

ওয়েবডেস্ক: জাতীয়তাবাদের নামে ‘সরকারের শ্রমিক-বিরোধী, কৃষক-বিরোধী, জনবিরোধী নীতি’র বিরুদ্ধে শুক্রবার সারাদেশে বিক্ষোভ দেখাল কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। তারা দিনের শেষে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও জমা দেয়।

স্মারকলিপিতে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি সরকারি উদ্যোগের বেসরকারিকরণ, যেমন ভারতীয় রেল, প্রতিরক্ষা, বন্দর ও ডক, কয়লা, এয়ার ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক, বিমা এবং মহাকাশ বিজ্ঞান ও পারমাণবিক শক্তির বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ব্যবসা দখল করতে বেসরকারি ও বিদেশি সংস্থাগুলিকে সুবিধা করে দেবে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনগুলির একটি যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে চরম সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে জরুরিকালীন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে নিত্যনতুন আইন এবং নির্দেশ জারি করে মানুষকে আরও বিপাকে ফেলা হচ্ছে।”

সংগঠনগুলি দাবি, গত তিনমাসে করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে দেশের ১৪ কোটি কর্মী কাজ হারিয়েছেন। দৈনিক মজুরির, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের ধরলে এই সংখ্যাটা ২৪ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে।

পথে নামল কোন কোন সংগঠন

শুক্রবার ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন বিক্ষোভ দেখায়। এগুলির মধ্যে ছিল কংগ্রেসের আইএনটিইউসি, বামপন্থী সিআইটিইউ এবং এআইটিইউসি। এ ছাড়া এআইইউটিইউসি, এলপিএফ, এইচএমএস, টিইউসিসি, এসইডব্লিউএ, এআইসিসিটিইউ এবং ইউটিইউসি বিক্ষোভে শামিল হয়। এর আগে গত ২২মে শ্রম আইন পরিবর্তনের বিরোধিতায় প্রতিবাদে শামিল হয়েছিল সংগঠনগুলি।

পড়তে পারেন: যাত্রী ট্রেন চালাতে বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে আবেদন চাইছে রেলমন্ত্রক

Continue Reading
Advertisement

নজরে