bjp-bdjs

ওয়েবডেস্ক: কেরলের শেষ নির্বাচনে প্রায় পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়েছিল এনডিএ শরিক ভারত ধর্ম জন সেনা (বিডিজেএস)। বিশেষ করে উপনির্বাচন হতে যাওয়া চেঙ্গান্নুর কেন্দ্রটিতে বিডিজেএসের প্রভাব তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশি। কিন্তু বিজেপি নেতাদের ‘দুর্ব্যবহারের’ শিকার হয়ে এনডিএ ছাড়ার কথা জানালেন দলের চেয়ারম্যান থুসার ভেল্লাপ্পল্লি। এমন কী ঘটেছিল, যার জেরে ভোটের মুখে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত?

ভেল্লাপ্পল্লি জানিয়েছেন, রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব বিডিজেএসের সঙ্গে ‘কৌতুক’ করেছেন। হাওয়ায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়, বিজেপি তাঁকে দলের তরফে রাজ্যসভায় প্রার্থী করবে। কিন্তু আদতে দেখা যায়, কেরলের বিজেপি রাজ্য সভাপতি ভি মুরলীধরনকে প্রার্থী করা হয়।

ভেল্লাপ্পল্লি বলেন, বিজেপি নেতাদের এমন ‘কৌতুক’ নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই সরব হয়েছিলেন। তিনি মোটেই কোনো বিজেপি নেতাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর তদ্বির করেননি। তবুও তাঁকে নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। নিজের দলের যোগ্যতা অনুযায়ী বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কর্পোরেশন এবং বোর্ডে বিডিজেএস সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি করা হবে। সাংবাদিক বৈঠক করে ভেল্লাপ্পল্লি জানান, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে বিডিজেএসের পক্ষে এনডিএ-তে থাকা সম্ভব নয়।

BDJS

রীতিমতো হুমকির সুরে ভেল্লাপ্পল্লি বলেন, বিজেপি খুব ভালো করেই জানে ২০১৬-র নির্বাচনে তাদের ভোটের হার কেন লাগামছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছিল। হিন্দু ইজভা সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে বিডিজেএসের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। সেই ভোট ব্যাঙ্কের সৌজন্যেই বিজেপির ভোট বেড়েছিল লাফিয়ে। গত নির্বাচনে ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীধরন পিল্লাই বিডিজেএসের জনপ্রিয়তার কারণেই যে ৪২ হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছিলেন, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন ভেল্লাপ্পল্লি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here