খবরঅনলাইন ডেস্ক: গণনার গোড়ার দিকে মনে হয়েছিল পরিবর্তনের পথেই রায় দিতে চলেছে বিহার। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতি বদলে যায়। নীতীশ কুমার বিপর্যয়ের মুখোমুখি হলেও গত বারের থেকে বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করে বিজেপি। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে উঠেছে আরজেডি। ‘চক্রান্ত করে ধীরগতিতে ভোটগণনা’, ‘জয়ের পরেও শংসাপত্র না দেওয়া’ ইত্যাদি অভিযোগের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল পেতে পেতে পার হয়ে যায় ভোর ৩টে।

(বিহারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলও প্রকাশ করা হয়। জানতে ক্লিক করুন এখানে)

==================================================================

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ১২৫টি আসনে জিতল এনডিএ জোট। সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা যেখানে ১২২টি। তবে একক বৃহত্তম দল হয়ে উঠেছে আরজেডি। মহাজোটের দখলে ১১০টি আসন। নীচে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল:

এনডিএ: ১২৫ (বিজেপি: ৭৪, জেডিইউ: ৪৩, এইচএএম: ৪, ভিআইপি: ৪)

মহাজোট:১১০ (আরজেডি: ৭৫, কংগ্রেস:১৯, সিপিআই: ২, সিপিএম:২, সিপিআই (এমএল):১২)

এলজেপি:

অন্যান্য: ৭ (এআইএমআইএম: ৫, বিএসপি:১, নির্দল: ১)

উপরের পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, গত ২০১৫ সালের বিধানসভা ভোটের নিরিখে অপ্রত্যাশিত ভালো ফল করেছে বামপন্থীরা। তবে আসন কমেছে কংগ্রেসের। আরজেডি একক বৃহত্তম দল হওয়া সত্ত্বেও বিরোধী মহাজোটকে যে কারণে বিহারের ক্ষমতা থেকে কিছুটা দূরেই থামতে হল!

রাত ১১টা- ১৮৩টি আসনে ফলাফল ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আরজেডি-৬০, বিজেপি-৫১, জেডিইউ-৩২, কংগ্রেস-১৪, সিপিআই(এমএল)-৯, ভিআইপি-৪, এআইএমআইএম-৪, এইচএএম-৩, সিপিএম-২, সিপিআই-১, বিএসপি-১, নির্দল-১ এবং এলজেপি-১টি আসনে জয়ী।

রাত ১০.৫০টা-গণনা শুরুর ১৪ ঘণ্টা পরেও একটি আসনে জিতল চিরাগ পাসোয়ানের এলজেপি। মটিহানি কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এলজেপি প্রার্থী রাজকুমার সিং ৩৩০ ভোটে পরাজিত করেন জেডিইউ প্রার্থী বোগো সিং-কে।

রাত ১০.৩০টা- এখনও পর্যন্ত দলগত ভাবে সব থেকে বেশি আসনে জয়ী আরজেডি। আরজেডি-৫০, বিজেপি-৪৭, জেডিইউ-২৮, কংগ্রেস-১০, সিপিআই(এমএল)-৯, ভিআইপি-৪, এআইএমআইএম-৩, এইচএএম-৩, সিপিআই(এম)-২, সিপিআই-১, বিএসপি-১, নির্দল-১টি আসনে জয়ী। জোটগত ভাবে এনডিএ ১২২, মহাজোট ১১৩, এলজেপি ১ এবং অন্যান্যরা ৭টি আসনে এগিয়ে/জয়ী।

রাত ৯.৪৫টা- আরজেডি এগিয়ে ৪৬টি, জয়ী ৩১টি আসনে, বিজেপি এগিয়ে ৪০টি এবং জয়ী ৩২টি আসনে। জেডিইউ এগিয়ে ২৪টি এবং জয়ী ১৯টি আসনে। কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১২টি এবং জয়ী ৭টি আসনে। এখনও পর্যন্ত বামেরা এগিয়ে ১০টি এবং জয়ী ৮টি আসনে।

রাত ৯.৩০টা– ভোরে, দুরৌন্ধা এবং আরা বিধানসভায় পুনর্গণনার দাবি জানাল সিপিআই(এমএল)। এই আসনগুলিতে দলের প্রার্থীরা সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।

রাত ৯.১৫টা– ১১৯টি আসনে মহাজোটের প্রার্থীদের জয়ের দাবি করে তালিকাপ্রকাশ করল আরজেডি। অভিযোগ, “রিটার্নিং অফিসার জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান। কমিশনের ওয়েবসাইটেও জয়ী প্রার্থীদের নাম দেখানো হয়। কিন্তু তাঁদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হয়নি”।

রাত ৯টা- আরজেডি এগিয়ে ৭৬ আসনে, অন্যদিকে বিজেপি ৭২টি-তে। উল্লেখযোগ্য ভাবে বাম প্রার্থীরা এগিয়ে ১৮টি আসনে। এ মুহূর্তে এনডিএ ১২৩, মহাজোট ১১৩ এবং অন্যান্যরা ৭টি আসনে এগিয়ে/জয়ী।

রাত ৮.৩৫টা- ৫২ আসনের ফলাফল ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের। বিজেপি-১৬, আরজেডি-১৬, জেডিইউ- ৭, সিপিআই(এমএল)- ৩, কংগ্রেস-৩, ভিআইপি-২, এআইএমআইএম-১, সিপিআই-১, সিপিএম-১, এইচএএম-১, নির্দল-১টি আসনে জয়ী।

রাত ৮.২০টা– এগিয়ে থাকা আসন সংখ্যার নিরিখে বৃহত্তম দল আরজেডি। কিন্তু গণনা শুরুর ১২ ঘণ্টা পরেও স্পষ্ট নয়, মসনদে কে বসছে? এমন পরিস্থিতিতে ‘চক্রান্ত করে ধীরগতিতেতে ভোটগণনা’র অভিযোগ তুলল আরজেডি। কমিশন সূত্রে খবর, গভীর রাত পর্যন্ত গণনা চলতে পারে। বর্তমানে এনডিএ ১২৬, মহাজোট ১১০ এবং অন্যান্যরা ৭টি আসনে এগিয়ে/জয়ী। কমিশন সূত্রে খবর, ৪.১ কোটি ভোটের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৩.৪ কোটি ভোটের গণনা হয়েছে।

রাত ৮টা- হসনপুর কেন্দ্রে জিতলেন আরজেডি প্রার্থী তেজপ্রতাপ যাদব। এখনও পর্যন্ত প্রায় চার কোটি ভোটের ১৭ শতাংশ গণনা বাকি। এনডিএ ১২২, মহাজোট ১১৪ এবং অন্যান্যরা ৭টি আসনে এগিয়ে/জয়ী। এর মধ্যে ১১টি আসনে এক হাজারের কম ভোটের ব্যবধান।

সন্ধ্যা ৭.১৫টা- গণনা শুরু হওয়ার পর প্রায় ১১ ঘণ্টা অতিবাহিত। তবুও স্পষ্ট নয় সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগারে কোন দল পৌঁছাচ্ছে? ত্রিশঙ্কু বিধানসভার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না এ মুহূর্তের পরিসংখ্যান। এখনও পর্যন্ত এনডিএ ১২০, মহাজোট ১১৫ এবং অন্য়ান্যরা ৮টি আসনে এগিয়ে অথবা জয়ী। এক হাজারের কম ব্যবধান রয়েছে ১০টি আসনে। এখনও পর্যন্ত ৭৫ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।

সন্ধ্যা ৬.৩০টা- বিহারে এখনও পর্যন্ত ৬২.৫ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত গণনা হতে পারে বলে ইঙ্গিত কমিশনের। ১৮টি আসনে এক হাজারেরও কম ব্যবধান। এনডিএ ১২১, মহাজোট ১১৫ এবং অন্য়ান্যরা ৭টি কেন্দ্রে এগিয়ে/জয়ী। এখনও পর্যন্ত ১৬টি কেন্দ্রে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কমিশন। বিজেপি ৬, আরজেডি ৩, জেডিইউ এবং ভিআইপি ২টি করে এবং সিপিএম ও এআইএমআইএম ১টি করে আসনে জিতেছে। মাঞ্জি কেন্দ্রে জিতলেন সিপিএম প্রার্থী ডা. সত্যেন্দ্র যাদব।

সন্ধ্যা ৬:১০– পিছিয়ে থাকার ব্যবধান অনেকটাই কমিয়ে আনল আরজেডি মহাজোট। এই মুহূর্তে তারা এগিয়ে রয়েছে ১১৩টি আসনে। এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১২২টি আসনে। অর্থাৎ, এখনও অনেকটা পথ যাওয়া বাঁকি। মজার ব্যাপার হল এই মুহূর্তে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে উঠেছে আরজেডি। তারা এগিয়ে ৭৪টি আসনে। বিজেপি এগিয়ে ৭২ আসনে। জেডিইউ ৪৩ এবং কংগ্রেস ২০ আসনে এগিয়ে রয়েছে। বামেরা সব মিলিয়ে ১৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

বিকেল ৪.৩০টা-এগিয়ে থাকা আসন সংখ্যার নিরিখে বিরোধী জোটের থেকে অনেকটাই ব্যবধান বাড়িয়ে নিল এনডিএ। এখনও পর্যন্ত তারা এগিয়ে ১৩২টি আসনে। মহাজোট ১০১, এলজেপি ১ এবং অন্য়ান্যরা ৯টি আসনে এগিয়ে।

বেলা ৩.৩০টা– চারটি আসনে ফলাফল ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এগুলির মধ্যে দ্বারভাঙা, জালে এবং কেবটি-তে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে সঞ্জয় সারাওগি, জীবেশ কুমার এবং মুরারিমোহগন ঝা। এঁরা তিনজনই বিজেপি প্রার্থীরা। বেণীপুরে জিতেছেন জেডিইউ প্রার্থী বিনয় চৌধুরি।

বেলা ২.৩০টা-মোট ৪ কোটি ভোটের মাত্র ৩২ শতাংশ গণনা করা হয়েছে এখনও পর্যন্ত। ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৬৫টি ভোট গণনা করা হয়েছে, চার কোটির মধ্যে অর্ধেকের বেশি অংশ এখনও বাকি রয়েছে। কমিশন জানাল, চূড়ান্ত ফলাফল পেতে মাঝরাত পার হয়ে যেতে পারে। এ মুহূর্তে এনডিএ-১২৮ এবং মহাজোট-১০৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এলজেপি-২ ও অন্য়ান্য-৯ আসনে এগিয়ে।

বেলা ১.৪৫টা- ভোটগণনার মাঝে সাংবাদিক বৈঠক করল নির্বাচন কমিশন। বলল, কোভিড মহামারির কারণে এ বারের বিধানসভা ভোটে ৬৩ শতাংশ বুথ বেড়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১.০৬ লক্ষ ইভিএম গণনা করা হবে। ৫৫টি জায়গায় গণনা চলছে। করোনাভাইরাসের কারণে গণনাকেন্দ্রগুলিতে অফিসারের সংখ্যা এক-দেড় হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

বেলা ১.৩০টা- ১২৭টা আসনে এগিয়ে এনডিএ। মহাজোট এগিয়ে ১০৬টা আসনে। উল্লেখ্যনীয় ভাবে কসবাতে এলজেপি প্রার্থী কংগ্রেসের থেকে পাঁচটি ভোটে এগিয়ে। রাজগিরে জেডিইউ প্রার্থী এগিয়ে ২৬ ভোটে।

বেলা ১২:৪৫– ৭৫টা আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে তারা। ২০১৫-এর থেকে ২২টি বেশি আসনে এগিয়ে তারা। অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত ১৯টা আসনে এগিয়ে রয়েছে বামেরা। পাঁচ বছর আগে, মাত্র তিনটে আসন জিতেছিল তারা।

বেলা সাড়ে ১২টা– ১২৮টা আসনে এনডিএ আর ১০২টা আসনে মহাজোট এগিয়ে। ৩০টি আসনে ব্যবধান ৫০০-এর কম।

বেলা ১২:১০– বিহারে ৬৭টি আসনে ব্যবধান ১০০০-এর কম।

সকাল ১২:০৫– ২০১৫ সালে বিহারে ৩টে আসন জিতেছিল বামেরা। তিনটেই সিপিআই (এমএল)। এ বার তারা এগিয়ে ১৯টা আসনে। এর মধ্যে ১৩টা সিপিআই (এমএল)। সিপিএম এবং সিপিআই তিনটে করে আসনে এগিয়ে রয়েছে।

সকাল ১১:৫৫– বিহারে বর্তমানে ২৯টা আসন এমন রয়েছে যেখানে প্রথম আর দ্বিতীয় দলের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ৫০০ থেকে ১০০০ ভোটের।

সকাল ১১:৪০– পিছিয়ে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারই হবেন। সাফ কথা জেডিইউ-এর মুখপাত্র কেসি ত্যাগীর।

সকাল ১১:৩০– বিহারে এখনও পর্যন্ত সেরা চমক বিজেপি এবং বামেরা। গেরুয়াবাহিনী এখনও পর্যন্ত ৭০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বামেরা এগিয়ে ১৮টি আসনে। দুই পক্ষের কাছেই এটা সেরা পারফর্ম্যান্স।

সকাল ১১:০৫– বিহারে আপাতত ১০টি আসনে এগিয়ে সিপিআই (এমএল)। বাকি ছ’টি আসনে এগিয়ে সিপিআই এবং সিপিএম।

সকাল ১১:০০– ব্যাপক ভাবে এগিয়ে গিয়েছে এনডিএ। এই মুহূর্তে তারা ১৩০টা আসনে এগিয়ে রয়েছে। মহাজোট আপাতত ৯৯টি আসনে এগিয়ে।

সকাল ১০:৫০– বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তারা এগিয়ে ৭১টি আসনে। আরজেডি এগিয়ে রয়েছে ৬৭টি আসনে। তবে ভালো ফল করছে বামেরাও। তারা এগিয়ে রয়েছে ১৩টি আসনে।

সকাল ১০:৪০– সকাল থেকে এগিয়ে থাকার পর আচমকা পিছিয়ে পড়ল আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বর্তমানে এনডিএ এগিয়ে ১১৮ এবং মহাজোট এগিয়ে ১০৮টি আসনে।

সকাল ১০:১০– এই মুহূর্তে বিহারে মহাজোট ১১৪ আর এনডিএ ১১২টি আসনে এগিয়ে।

সকাল ৯:৪৫– সবে মাত্র দেড় ঘণ্টা হয়েছে ভোটগণনার। এখনও অনেক পথ চলা বাকি। কিন্তু ইতিমধ্যেই হার স্বীকার করে নীল জেডিইউ। এনডিটিভিতে এক সাক্ষাৎকারে হার স্বীকার করে নেওয়ার কথা বলেন জেডিইউ নেতা কেসি ত্যাগী।

সকাল ৯:৪০– বিহারে আরজেডি জোটের মধ্যে সিপিআই (এমএল) ৬টা, সিপিআই ৪টে এবং সিপিএম ৩টে আসনে এগিয়ে।

সকাল ৯:৩৫– আরজেডি জোট ১২১ এবং এনডিএ ১০৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিহারে। বিজেপির থেকেই অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে নীতীশ কুমারের জেডিইউ

সকাল ৯:২০– প্রথম দিকে পিছিয়ে পড়লেও ফের কিছুটা কামব্যাক করার চেষ্টা করছে এনডিএ। বর্তমানে ১০২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে আরজেডি জোট। এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ৯৭টি আসনে।

সকাল ৯:০৫– বর্তমানে আরজেডি জোট ৯৮ এবং এনডিএ ৭৯টি আসনে এগিয়ে। আরজেডি জোটের মধ্যে আরজেডি ৬২, কংগ্রেস ২৪, সিপিআই (এমএল) ৮ এবং অন্যান্যরা তিনটে আসনে এগিয়ে। অন্যদিকে এনডিএ-এর মধ্যে বিজেপি ৫১ এবং জেডিইউ ২৪টি আসনে এগিয়ে।

সকাল ৮:৫৫– প্রাথমিক প্রবণতায় এনডিএ-এর থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন তেজস্বীরা। বর্তমানে আরজেডি জোট ৮২ আর এনডিএ ৬১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

সকাল ৮:৪০– বাঁকিপুর আসনে এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা তথা শত্রুঘ্ন সিনহার ছেলে লব।

সকাল ৮:৩৫– নিজেদের আসনে এগিয়ে রয়েছেন তেজস্বী যাদব, তেজপ্রতাপ যাদবরা। এই মুহূর্তে আরজেডি জোট ৫১ এবং এনডিএ ৪৩টি আসনে এগিয়ে।

সকাল সাড়ে ৮টা– প্রাথমিক ইঙ্গিতে আরজেডি জোট ৩৯ আর এনডিএ জোট ৩৭ আসনে এগিয়ে। কিন্তু চমক রয়েছে এনডিএ জোটে। সেখানে ২৭টি আসনে এগিয়ে বিজেপি এবং জেডিইউ মাত্র ১০টি আসনে। অন্যদিকে বিরোধী জোটের মধ্যে ২৬টি আসনে এগিয়ে আরজেডি, কংগ্রেস ৯টি এবং সিপিআই(এমএল) তিনটে আসনে এগিয়ে।

সকাল ৮:২৫– প্রাথমিক ভাবে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হওয়ার ইঙ্গিত। আরজেডি জোট ২৮ এবং এনডিএ ২৬ আসনে এগিয়ে। অন্যান্য এগিয়ে একটি আসনে।

সকাল ৮:১০– চিরাচরিত ভাবেই পোস্টাল ব্যালট দিয়ে গণনা শুরু। আরজেডি জোট এবং এনডিএ চারটে করে আসনে এগিয়ে।

সকাল ৮টা– বিহারে ভোট গণনা শুরু হয়ে গেল।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন