modi-xingping

জিয়ামেন: পঞ্চশীল চুক্তির পাঁচটা নীতি মেনেই আগামী দিনে এগোবে ভারত এবং চিনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক। দুই দেশের মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্কের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এমনই বললেন চিনা প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং।

৭৩ দিনের ডোকলাম অচলাবস্থা মিটেছে সবে এক সপ্তাহ হল। এই আবহে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল ব্রিক্স সম্মেলনে মোদী এবং জিনপিং-এর মধ্যে বৈঠক। মঙ্গলবার সকালে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক চলে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং ছাড়াও চিনের তরফ থেকে এই বৈঠকে ছিলেন প্রধান মুখপাত্র লু কাং, বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইআই এবং স্টেট কাউন্সিলর ইয়াং জিয়েচি।

ব্রিক্স সম্মেলন সফল ভাবে আয়োজন করার জন্য প্রথমেই জিনপিং-কে অভিনন্দন জানান মোদী।

বৈঠকে জিনপিং বলেন, ভারত এবং চিন দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং বিশ্বের বৃহত্তম উদীয়মান অর্থনীতি। এই দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যকর এবং স্থায়ী সুসম্পর্ক বজায় থাকলে লাভবান হবেন দুই দেশের জনগন। পঞ্চশীলের ব্যাপারে ভারতকেই পথপ্রদর্শক হিসেবে চিহ্নিত করেন জিনপিং।

পঞ্চশীল কী

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫৪-এর ২৯ এপ্রিল ভারত এবং চিনের মধ্যে পঞ্চশীল চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। সেই চুক্তির পাঁচ নীতি ছিল,

১) একে অপরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা

২) একে অপরের মধ্যে আগ্রাসন না থাকা

৩) একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলানো

৪) একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা

৫) শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।

দু’দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বৈঠক খুব ইতিবাচক হয়েছে, এমনই জানান ভারতের বিদেশসচিব এস জয়শঙ্কর। তাঁর কথায়, “দু’দেশের মধ্যে মতানৈক্য যাতে সংঘর্ষের চেহারা না নেয়, সে ব্যাপারে সহমত হয়েছে ভারত এবং চিন।”

ভবিষ্যতে যাতে দু’দেশের মধ্যে অচলাবস্থা তৈরি না হয়, সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, “সীমান্তরক্ষীবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে হবে, যাতে কোনো রকম সংঘর্ষের আবহই না সৃষ্টি হয়।”

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন