Connect with us

দেশ

পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনর্দখল নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য নয়া সেনাপ্রধানের

MM Naravane

ওয়েবডেস্ক: সেনা সব দিক থেকে তৈরি। তাই প্রয়োজনে পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনর্দখল অভিযানেও নামবে তারা, যদি এমন নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন নয়া সেনাপ্রধান মনোজ নরবনে।

এনডিটিভিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নরবনে বলেন, “কাশ্মীর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সেনারা তৈরি রয়েছে। আমাদের অনেক কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। যদি বলা হয় আমরা সেই পরিকল্পনা কাজে লাগাতেও তৈরি। আমাদের নির্দেশ দেওয়া হলে, আমরা যে কোনো কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন করব।”

পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সেখানেও সম্মতিসূচক এক ইঙ্গিতবাহি জবাব দেন নরবনে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ৩১ ডিসেম্বর বিপিন রাওয়াতের থেকে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেন নরবনে। দায়িত্ব হাতে নিয়েই তিনি পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জানিয়ে দেন, পাকিস্তান সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম ভারতীয় সেনা বাহিনী।

আরও পড়ুন ভোররাত থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে জোর ঝড়বৃষ্টি

তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদকে সহায়তা করছে। ভারতের সঙ্গে তারা ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ, মুখে সে কথা অস্বীকার করে। এ বিষয়ে কঠোর বক্তব্য রেখে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ দিন চলতে পারে না”।

নরবনের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিইয়া দেয় পাকিস্তানও। তারা জানায় যে কোনো রকম আঘাত তারা প্রতিহত করতে তৈরি।

দেশ

মনোজ তিওয়ারিকে সরাল বিজেপি

নয়াদিল্লি: দিল্লির দলীয় সভাপতিপদ থেকে মনোজ তিওয়ারিকে (Manoj Tiwari) সরিয়ে দিল বিজেপি (BJP)।

মঙ্গলবার দলের তরফে ঘোষণা করা হয়, মনোজকে সরিয়ে সভাপতিপদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আদেশকুমার গুপ্তাকে (Adesh Kumar Gupta)।

কে এই আদেশ?

দিল্লির প্রবীণ বিজেপি নেতা। তিনি অতীতে উত্তর দিল্লি পুরসভার (Delhi Municipal Corporation) মেয়র ছিলেন এবং পশ্চিম পটেলনগর এলাকার কাউন্সিলার। এ দিন থেকে তিনি ভোজপুরি গায়ক-নায়ক মনোজের হাত থেকে দলের দিল্লি ইউনিটের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং এ দিন জানান, “বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আদেশকুমার গুপ্তাকে দিল্লির ইউনিটের সভাপতিপদে নিয়োগ করেছেন”।

কেন সরলেন মনোজ?

গত ২০১৬ সালে সতীশ উপাধ্যায়কে সরিয়ে দিল্লির বিজেপি সভাপতি করা হয় মনোজকে। তবে দিল্লির শেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পরই তিনি পদ ছাড়ার কথা জানান। ওই ভোটে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে। ভোটের আগে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ‘গ্যারান্টি’ দিয়েছিলেন মনোজ। একই সঙ্গে সভাপতিপদে তাঁর মেয়াদও শেষ হয়েছে।

Continue Reading

দেশ

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গেলেন জেসিকা লালের হত্যাকারী, মনু শর্মা

নয়াদিল্লি: জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গেলেন জেসিকা লালের (Jessica Lall) হত্যাকারী মনু শর্মা। ভালো ব্যবহারের কারণেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। ১৮ বছরের কিছু কম সময়ে হাজতবাস করেন মনু (Manu Sharma)।

মনু শর্মাকে ছেড়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছিল দিল্লি সরকারের অন্তর্গত, সাজা পুনর্বিবেচনা বোর্ড (Delhi Sentence Review Board)। সেই সুপারিশেই সাক্ষর করেন দিল্লির উপরাজ্যপাল অনিল বৈজল (Anil Baijal)। সেই মতো সোমবার ছাড়া পেয়েছেন মনু। মনু ছাড়াও আরও ১৮ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ ঠেকাতে গত মার্চে তিহাড় জেলে বন্দিদের সংখ্যা কমানো হয়। অনেক বন্দিকেই প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই তালিকায় মনুও ছিলেন। তবে জেলে থাকাকালীন ভালো ব্যবহারের কারণেই মনুর ছাড়া পেয়ে যাওয়ার পথটি প্রশস্ত হয়েছে।

ভালো ব্যবহারের কারণে জেলজীবনেও সকার ৮টা থেকে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত জেলের বাইরে বেরোতেন তিনি।জেলবন্দিদের জন্য কাজ করা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মনু।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ৩০ এপ্রিল রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল দিল্লির ট্যামারিন্ড রেস্তরাঁয়। রেস্তরাঁয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও মদ চেয়েছিলেন মনু। তাঁকে মদ দিতে অস্বীকার করেন ওই রেস্তরাঁয় কর্মরত জেসিকা লাল। এটা সহ্য করতে না পেরে নিজের বন্দুক থেকে জেসিকার উদ্দেশে গুলি চালিয়ে দেন মনু। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জেসিকার।

নিম্ন আদালতে প্রথমে ছাড়া পেয়ে যান মনু। এর পর দেশ জুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। মনুর শাস্তির দাবিতে সরব হন সাধারণ মানুষ। ২০০৬-তে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। ২০১০ সালে সেই সাজাই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট।

তবে জেলে মনু নিজেকে এক্কেবারে পালটে ফেলেছেন, এই খবর গিয়ে পৌঁছয় জেসিকার দিদি সাবরিনার কানেও। ২০১৮-তে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি সত্যি বিশ্বাস করি যে ও নিজেকে পালটে ফেলেছে। ও যেদিন শাস্তি পেয়েছিল সেদিনই আমি শান্তি পেয়েছিলাম।” মনুকে তিনি মন থেকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলেও জানান সাবরিনা।

Continue Reading

দেশ

সশরীরে আদালতের শুনানি শুরু হোক জুলাইয়ে, সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল আর্জি

নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাস মহামারির জেরে ‘ভার্চুয়াল শুনানি’ চলছে দেশের বিভিন্ন আদালতে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে একটি আর্জিতে আইনজীবীদের সংগঠন জানাল, ‘ব্যবহারিক অসুবিধা’র কারণে আগামী জুলাই থেকে ফের সশরীরে আদালতের শুনানি শুরু হোক।

কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-19 pandemic) কারণে গত ২৫ মার্চ থেকে শুধুমাত্র ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু মামলার শুনানি করছে সুপ্রিম কোর্ট। এ দিন সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশন (SCAORA) একটি আবেদন পেশ করে সর্বোচ্চ আদালতে।

দেশের প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে আইনজীবী সংগঠন দাবি করে, প্রায় ৯৫ শতাংশ সদস্যের মতামত, “তাঁরা ভার্চুয়াল শুনানির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না”।

সংগঠন জানায়, “সদস্যদের সাধারণ মতামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, আইনজীবীরা ভার্চুয়াল মাধ্যমগুলিতে কার্যকর ভাবে তাঁদের মামলাগুলি উপস্থাপন করতে পারছেন না। অন্য দিকে ভার্চুয়াল শুনানিতে অসম্মতি জানাতেও পারছেন না আইনজীবীদের একটা বড়ো অংশ”।

চিঠিতে সংগঠনের সভাপতি শিবাজী এম যাদব জানিয়েছেন, “ভার্চুয়াল শুনানিতে (Virtual hearings) বেশ কিছু ‘ব্যবহারিক অসুবিধা’য় পড়েছেন কয়েক হাজার আইনজীবী। গ্রীষ্মের ছুটি শেষ হওয়ার পরই আগামী জুলাই মাস থেকে সশরীরে আদালতের শুনানি শুরু করা হোক। ঠিক যে ভাবে আনলক ওয়ান (Unlock 1)-এ একাধিক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু করা হয়েছে”।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং