Connect with us

দেশ

আবার কিছুটা কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা, আরও কিছুটা বাড়ল সুস্থতার হার

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গত তিন দিনে সব থেকে কম নতুন করোনা-আক্রান্তের খোঁজ মিলল ভারতে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে ১৯ হাজারের নীচে। পাশাপাশি সুস্থতার হারও উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্যে জানা গিয়েছে যে বর্তমানে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ১৫ হাজার ১২৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮২২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬,৮৯৩ জনের।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৫২২ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৩০৯৯ জন। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৪১৮ জনের।

সুস্থতার হার বেশ কিছুটা বেড়ে এখন রয়েছে ৫৯ শতাংশে। আর একটু বাড়লেও ৬০ শতাংশ ছোঁবে এই হারটা, যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় এই পতনের পেছনে দিল্লির (Delhi) একটা হাত রয়েছে। সোমবার দিল্লিতে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০৮৪ জন, যা গত বেশ কয়েক দিনের তুলনায় কম। অন্য দিকে মহারাষ্ট্র আর তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিটা একটা সমান্তরাল স্তরেই রয়েছে।

তবে ভারতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ানোর পেছনে তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) ছাড়াও দক্ষিণ ভারতের আরও তিন রাজ্যের অবদান রয়েছে। শুধুমাত্র কর্নাটক, তেলঙ্গানা আর অন্ধ্রপ্রদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৩০ জন। এর মধ্যে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদ শহর দু’টিকে নিয়েও চিন্তা বাড়ছে।

বড়ো শহর হয়েও প্রথম দিকে করোনার সংক্রমণ আটকে দিয়ে নজির তৈরি করা এই দুই শহরেই এখন করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই সংক্রমণের নিরিখে কলকাতাকে পেরিয়ে গিয়েছে হায়দরাবাদ। বেঙ্গালুরুও কলকাতাকে পেরিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

দেশ

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চাপের মুখে পড়ে নতি স্বীকার করল নাগাল্যান্ড সরকার। রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।

শুক্রবার এই বিষয়েই টুইট করে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেনজেন টয় বলেন, “কুকুরের বাণিজ্যিক রফতানি এবং কুকুরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। কাঁচা বা রান্না করা, কোনো ধরনের মাংসই আর বিক্রি করা যাবে না।”

উল্লেখ্য, কিছু দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল যে বস্তায় করে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন একজন টুইটার ব্যবহারকারী।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধীও। কুকুর এ ভাবে আমদানি বা রফতানি বন্ধ করার জন্য নাগাল্যান্ড পুলিশের কাছেও আবেদন করেন মানেকা। এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই মাংসের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হল নাগাল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, উত্তরপূর্ব ভারতে, বিশেষত নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। এই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো আইনও নেই। এ ছাড়া খরগোশ আর বাঁদরের মাংসও ব্যাপক ভাবে খাওয়া হয় এই সব অঞ্চলে।

Continue Reading

দেশ

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

ওয়েবডেস্ক: জাতীয়তাবাদের নামে ‘সরকারের শ্রমিক-বিরোধী, কৃষক-বিরোধী, জনবিরোধী নীতি’র বিরুদ্ধে শুক্রবার সারাদেশে বিক্ষোভ দেখাল কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। তারা দিনের শেষে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও জমা দেয়।

স্মারকলিপিতে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি সরকারি উদ্যোগের বেসরকারিকরণ, যেমন ভারতীয় রেল, প্রতিরক্ষা, বন্দর ও ডক, কয়লা, এয়ার ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক, বিমা এবং মহাকাশ বিজ্ঞান ও পারমাণবিক শক্তির বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ব্যবসা দখল করতে বেসরকারি ও বিদেশি সংস্থাগুলিকে সুবিধা করে দেবে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনগুলির একটি যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে চরম সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে জরুরিকালীন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে নিত্যনতুন আইন এবং নির্দেশ জারি করে মানুষকে আরও বিপাকে ফেলা হচ্ছে।”

সংগঠনগুলি দাবি, গত তিনমাসে করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে দেশের ১৪ কোটি কর্মী কাজ হারিয়েছেন। দৈনিক মজুরির, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের ধরলে এই সংখ্যাটা ২৪ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে।

পথে নামল কোন কোন সংগঠন

শুক্রবার ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন বিক্ষোভ দেখায়। এগুলির মধ্যে ছিল কংগ্রেসের আইএনটিইউসি, বামপন্থী সিআইটিইউ এবং এআইটিইউসি। এ ছাড়া এআইইউটিইউসি, এলপিএফ, এইচএমএস, টিইউসিসি, এসইডব্লিউএ, এআইসিসিটিইউ এবং ইউটিইউসি বিক্ষোভে শামিল হয়। এর আগে গত ২২মে শ্রম আইন পরিবর্তনের বিরোধিতায় প্রতিবাদে শামিল হয়েছিল সংগঠনগুলি।

পড়তে পারেন: যাত্রী ট্রেন চালাতে বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে আবেদন চাইছে রেলমন্ত্রক

Continue Reading

দেশ

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ওয়েবডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার মাঝেই আচমকা লাদাখ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্য় রাখেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ‘বিস্তারবাদ’ এখন মুছে গিয়েছে। এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক। সারা প‌ৃথিবী এখন বিস্তারবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করছে।

চিনের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে মোদী বলেন, “এখন বিকাশবাদের যুগ। ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে। বিশ্বে শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে বিস্তারবাদীরা। কিন্তু প্রতিবারই তাদের পরাস্ত হতে চেয়েছে। কারণ, সারা বিশ্ব তাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়ছে”।

সেনার মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গলওয়ান উপত্যকায় আপনারা যে বীরত্ব দেখিয়েছেন, তা সারা দেশ স্মরণে রাখবে। সারা বিশ্ব দেখেছে আপনাদের বীরত্ব এবং ক্রোধ। আপনাদের বীরত্বের জন্যই সারা দেশ সুরক্ষিত। শান্তির জন্য় যে শক্তি চাই, সেটাই আপানারা দেখিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের সংকল্প এই উপত্য়কার থেকেও শক্ত, আপনাদের ইচ্ছাশক্তি এই পর্বতের মতোই অটল”।

একই সঙ্গে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গলওয়ান উপত্যকা আমাদেরই। লাদাখ ভারতের মুকুট। ভারত সব সময়ই শান্তির কথা বলে। কিন্তু আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি। আমরা হাতিয়ার ধরতে জানি। ভারতের শত্রুতা সেনার শক্তি দেখেছে”।

সেনার সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ আমরা সবাই মিলে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলব। আপনার আত্মত্যাগের মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারত আরও দৃঢ় হবে। আপনাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা আরও কঠিন চ্য়ালেঞ্জের মোকাবিলা করব”।

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা বাহিনীর মুখোমুখি হওয়া ভারতীয় জওয়ানদের সাহসিকতার প্রশংসা করে মোদী বলেন, “১৪ কোরের বীরত্বের কাহিনী সবাই জানে। আপনার বীরত্ব ও বীরত্বের কাহিনি দেশের প্রতিটি বাড়িতে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে”। একই সঙ্গে এ দিন তিনি আরও একবার ওই সংঘর্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

চিনের প্রতিক্রিয়া

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।

Continue Reading
Advertisement

নজরে