ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম চালু করল বিদেশমন্ত্রক। পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের ২৬ জানুয়ারি অথবা তাঁর পরে জন্মেছেন এমন সবাইকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে জন্মের শংসাপত্র দেখাতে হতো। নতুন নিয়মে সে বিষয়ে বেশ কিছুটা ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। আসুন, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক নতুন নিয়মাবলী।

জন্মের শংসাপত্র

নীচে উল্লেখ করা একাধিক নথীর মধ্যে আবেদনকারীর যে কোনো একটি থাকা আবশ্যক

  • পুরসভা কিংবা সরকার স্বীকৃত অন্য কোনো সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া জন্মের শংসাপত্র
  • নির্দিষ্ট স্কুল অথবা শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে দেওয়া মাধ্যমিকের শংসাপত্র অথবা স্কুলের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট
  • প্যান কার্ড
  • আধার কার্ড অথবা ই আধার
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • ইলেকশন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত ভোটার পরিচয়পত্র
  • রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া পলিসি বন্ড
  • আবেদনকারী সরকারি চাকুরিজীবী হলে সার্ভিস রেকর্ড; অবসরপ্রাপ্ত হলে পেনশন অর্ডার
অভিভাবকের বিবরণ

এতদিন আবেদনকারীকে ফর্মে উল্লেখ করতে হতো বাবা মা অথবা আইনি অভিভাবক দুজনের নাম। এখন থেকে একজনের নাম উল্লেখ করলেই চলবে। আধ্যাত্মিক ব্যক্তির (সাধু সন্ন্যাসী)ক্ষেত্রে অভিভাবকের পরিবর্তে তাঁর আধ্যাত্মিক গুরুর নাম উল্লেখ করা যাবে নতুন নিয়মে।

  • এছাড়া পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ফর্মের সংখ্যা কমিয়ে ১৫ থেকে ৯ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র
  • আবেদনকারীর যাবতীয় নথি এখন থেকে আর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা প্রত্যয়িত করা আবশ্যক নয়
  • আবেদনকারী বিবাহিত হলেও ম্যারেজ সার্টিফিকেট দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই। বিবাহবিচ্ছিন্ন আবেদনকারীকে ফর্মে উল্লেখ করতে হবে না প্রাক্তন স্বামী অথবা স্ত্রীর নাম
  • আপতকালীন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে ‘নো অব্জেকশন সার্টিফিকেট’ জোগাড় করাও বাধ্যতামূলক রইল না আর। সে ক্ষেত্রে কর্মীকে একটি বিবৃতিতে জানাতে হবে তিনি যে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন, তা আগে থেকেই জানিয়েছেন নিয়োগকারী সংস্থাকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here