Connect with us

দেশ

সবাই জীবিত! মুজফ্‌ফরপুরে নাবালিকা নিখোঁজ কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়

Child Rape

নয়াদিল্লি: বিহারের মুজফ্‌ফরপুরে হোমে নাবালিকা নিখোঁজ কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। ওই হোমের কোনো নাবালিকাই খুন হয়নি বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করল সিবিআই।

বুধবার সিবিআইয়ের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেনুগোপাল শীর্ষ আদালতকে জানান, মুজফ্‌ফরপুরের ‘শেল্টার হোম’-এ যে ৩৫ জন নাবালিকা নিখোঁজ বলে অভিযোগ উঠেছিল, তাদের সকলেই জীবিত রয়েছে।

প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের গঠিত বেঞ্চের সামনে এ দিন তিনি বলেন, ‘‘সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে সিবিআই জানতে পেরেছে, ওই মেয়েরা জীবিত রয়েছে। কেউই খুন হয়নি।’’

মুজফ্‌ফরপুরের ওই হোম থেকে যে কঙ্কাল এবং হাড়গোড় মিলেছে সেগুলিও কোনো নাবালিকার নয় বলে জানান বেনুগোপাল। সিবিআইয়ের দাবি ওই গুলো একটি পুরুষের কোমরের নীচের অংশের এবং অন্যটি একটি মহিলার।’’

উল্লেখ্য, ২০১৮-এর মে মাসে ওই মুজফ্‌ফরপুর-সহ বিহারের মোট ১৭টি হোমের আবাসিক মেয়েদের উপর ধর্ষণ ও যৌন অত্যাচারের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছিল। একটি সামাজিক সমীক্ষার রিপোর্টে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছিল টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস (টিআইএসএস)।

সেই সঙ্গে আরও অভিযোগ উঠেছিল যে ওই নাবালিকাদের ধর্ষণ ও যৌন অত্যাচারের পর খুন করে হোম চত্বরে পুঁতে রাখা হয়েছিল। টি

সিবিআইয়ের এই রিপোর্ট গ্রহণ করেছে শীর্ষ আদালত। বেনুগোপালের এই বিবৃতিতে নিয়ে কোনোরকম সন্দেহের অবকাশ নেই, এমনই পর্যবেক্ষণ আদালতের।

আরও পড়ুন ফের অসম সফর বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

সিবিআইয়ের এই রিপোর্ট যে গোটা ব্যাপারটিতে অন্য মাত্রা যোগ করল তা বলাই বাহুল্য।

দেশ

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র

কোভিড-১৯ সন্দেহজনক যে কোনো ব্যক্তি ল্যাবে গিয়ে নিজের নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

coronavirus

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণ প্রতিরোধে এখন তিনটি বিষয়েই গুরুত্ব দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। নমুনা পরীক্ষা, চিহ্নিতকরণ এবং চিকিৎসা, এই তিনটি পদ্ধতিকে জোরদার করতে একাধিক পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। যেগুলির মধ্যে অন্যতম যে কোনো চিকিৎসককে করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কোনো একক ব্যক্তিকে নমুনা পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বুধবার জানিয়েছে, ‘টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট’ করোনাভাইরাস মহামারি থেকে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে যাওয়ার পথ।

সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পরামর্শ দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, সমস্ত চিকিৎসক ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (ICMR)-এর গাইডলাইন অনুসারে কোভিড-১৯ (Covid-19) সন্দেহজনক যে কোনো ব্যক্তি ল্যাবে গিয়ে নিজের নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

কী বলা হয়েছে গাইডলাইনে?

নির্দেশ বলা হয়েছে, “সরকারি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাগুলির উপর ক্রমবর্ধমান চাপের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করা একটি বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয়তা। অপ্রয়োজনীয় বিলম্বের কারণ কখনো কখনো নমুনা পরীক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই মুহূর্তে, আইসিএমআরের নির্দেশিকা অনুসারে মানদণ্ড পূরণ করা যে কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দিতে পারবেন সমস্ত চিকিৎসক”।

আইসিএমআরের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, গাইডলাইন মেনে যে কোনো একক ব্যক্তি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করাতে যেতে পারেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষই তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। দ্রুত নমুনা পরীক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে সংক্রমণ রুখতে সমস্ত রকমের পদক্ষেপ নিতে হবে।

জানা গিয়েছে, নতুন এই নির্দেশিকা প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো হয়েছে। তবে নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করতে হলে রাজ্য সরকারকেও নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।

বর্তমানে ল্যবরেটরির সংখ্যা

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১,০৪৯টি ল্যাবে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে ৭৬১টি সরকারি এবং ২৮৮টি বেসরকারি ল্যাব। তবে আনুপাতিক ভাবে কয়েকটি রাজ্যে ল্যাবের সংখ্যা কম থাকায়, ওই রাজ্যগুলিকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

Continue Reading

দেশ

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

গত সোমবার রাতেই ডিজিটাল স্ট্রাইক করেছে ভারত। কী কারণে এটা একটা ‘স্ট্রাইক’?

নয়াদিল্লি: গত ১৫ জুন লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষের কয়েক দিন পর ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত। এটাই ছিল ভারতের তরফে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একটি ভার্চুয়াল সভায় প্রসাদ বলেন, আমরা চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেশের মানুষের তথ্য সুরক্ষিত করেছি। এটা ছিল ডিজিটাল স্ট্রাইক (digital strike)”। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আপনারা শুধুমাত্র দু’টো সি (C)-এর কথাই শুনতে পাবেন”।

কী এই দুই ‘সি’?

মন্ত্রী বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনার মাধ্যমেই শান্তি এবং সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। কিন্তু কেউ যদি ভারতের দিকে কু-নজরে তাকায়, তা হলে আমরাও তার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমাদের ২০ জন বীর জওয়ান যদি আত্মোৎসর্গ করেন, তা হলে চিনের খেসারতের সংখ্যা তার দ্বিগুণ। আপনারা নিশ্চিয় লক্ষ্য করেছেন, তারা কিন্তু এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেনি”।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় আইন, যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, এখন আপনারা দু’টো ‘সি’-এর কথা শুনতে পাবেন। একটা করোনাভাইরাস (Coronavirus) এবং অন্যটা চিন (China)।

কতকটা একই ধরনের মন্তব্য শোনা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) কথাতেও। গত সপ্তাহে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনা প্রসঙ্গে এ ধরনের মন্তব্যই করেন প্রধানমন্ত্রী।

কী কারণে এটা একটা ‘স্ট্রাইক’?

সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed)-এর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে বালাকোটে ‘এয়ার স্ট্রাইক’ চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। চিনা অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার পর বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে ঘটনাটিকে ‘ডিজিটাল এয়ার স্ট্রাইক’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। সম্ভবত তারই রেশ ধরে সরকারি ভাবে বিষয়টিকে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

ভারতের অবাক করা পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে চিনা প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে প্রভাবিত করেছে, যখন তারা দেশের বিশাল বাজারে প্রবেশ শুরু করে জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। ভারতের মতো দেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেক বেশি। এমনকী অন্যান্য দেশের থেকে এখানে ডেটা তুলনামূলক ভাবে সস্তা।

স্বাভাবিক ভাবেই আচমকা বিশালাকার একটি বাজার হাতছাড়া হওয়ায় চিনা সংস্থাগুলিও বিপাকে পড়েছে। সারা বিশ্বে চিনা অ্যাপ টিকটকের (TikTOk) ব্যবহারকারী প্রায় ২০০ কোটি। এর ৩০ শতাংশই ভারতে। টিকটকের মূল সংস্থা বাইটডান্স (ByteDance) ভারতে ব্যবসা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেয়।

কারণ হিসাবে কী বলেছিল কেন্দ্র?

গত সোমবার রাতে চিনা মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, “ভারতের সার্বভৌমত্ব ও সংহতি, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলার পক্ষে ক্ষতিকর” ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হল।”

অ্যাপগুলির মধ্যে অন্যতম টিকটক (TikTok), ইউসি ব্রাউজার (UC Browser), হ্যালো (Helo), লাইকি (Likee), ক্যাম স্ক্যানার (Cam Scanner), শেয়ারইট (SHAREit), উইচ্যাট (WeChat), ক্লাব ফ্যাক্টরি (Club Factory) ইত্যাদি।

তবে শুধু চিনা অ্যাপ নয়, রেল, বিএসএনএল, জাতীয় সড়ক-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে চিনা সংস্থাগুলির বিনিয়োগ এবং পণ্য বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলি দেখতে পারেন-

চিনা সংস্থার ফোর-জি টেন্ডার বাতিল করল বিএসএনএল

জাতীয় সড়ক প্রকল্পে চিনা সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করছে কেন্দ্র

Continue Reading

দেশ

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ছয় লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল। যদিও রোগীবৃদ্ধির হার আরও কিছুটা কমেছে। সেই সঙ্গে একটু বেড়েছে সুস্থতার হারও।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪ হাজার ৬৪১। যদিও এর মধ্যে ৫৯.৫১ শতাংশ মানুষই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৬০। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৮৩৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১,৯১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৪ জনের। রোগীবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এখন রয়েছে ৩.২৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় সর্বাধিক বৃদ্ধির রেকর্ডটি তৈরি হয়েছিল গত রবিবার। সে দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৯,৯০৬ জন। তার পর থেকে পর পর চার দিন নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটা কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও আগামী দিনে আরও নতুন রেকর্ডের আশঙ্কা থেকেই যায়।

এরই মধ্যে আরও কিছুটা স্বস্তির খবর শুনিয়েছে চেন্নাইয়ের ইন্সটিটিউট অব ম্যাথামেটিকাল সায়ান্সেসের (আইএমএস) বিজ্ঞানীরা।

তাঁরা জানিয়েছেন, ভারতে করোনার ‘এফেক্টটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর’ (Effective Reproduction Number) তথা ‘আর নম্বর’ এখন কমে এসেছে ১.১১-এ। জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সেটি ১.২২ থাকার পর শেষ সপ্তাহে ১.১৩-এ নেমে আসে। জুলাইয়ের শুরুতে সেটা আরও কিছুটা কমেছে।

উল্লেখ্য, এই আর নম্বরটি হল সংক্রমণের হার মাপার একটি গাণিতিক হিসেব। এক জন করোনা রোগী কত জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করছেন আর সেই সংখ্যার হিসেবে হার কতটা বাড়ছে, সেটাই হিসেব হয় এই নম্বরটি দিয়ে।

এই আর নম্বরটি তিনটে ফ্যাক্টরের ওপরে নির্ভর করে। প্রথমত, এক জন করোনা পজিটিভ রোগীর মধ্যে দিয়ে অন্য জনে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা, দ্বিতীয়ত, আক্রান্ত ও সংক্রমণের সন্দেহে থাকা ব্যক্তিরা কত জনের সংস্পর্শে আসছেন তার গড় হিসেব, তৃতীয়ত, এক জনের থেকে সংক্রমণ কত জনের মধ্যে এবং কত দিনে ছড়াচ্ছে তার গড় হিসেব।

এই আর নম্বর ১-এর নীচে চলে এলেই করোনার ওপরে নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। কারণ সেটা হলে একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে একজন সুস্থ ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

Continue Reading
Advertisement
coronavirus
দেশ16 mins ago

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র

দেশ1 hour ago

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

দঃ ২৪ পরগনা3 hours ago

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

ভ্রমণের খবর3 hours ago

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

দেশ5 hours ago

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

দেশ5 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৯,১৪৮, সুস্থ ১১,৯১২

বিদেশ5 hours ago

আমেরিকায় আরও ভয়াবহ ভাবে জাল বিস্তার করছে করোনা, এক দিনেই আক্রান্ত ৫২ হাজার

ক্রিকেট6 hours ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

নজরে