notice against Pakistani diplomat wanted in terror plot

ওয়েবডেস্ক: ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) পাকিস্তানি কূটনীতিক আমির জুবায়ের সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের কাছ থেকে রেড কর্নার নোটিস আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করল। দক্ষিণ ভারতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি দূতাবাসে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গত সপ্তাহেই চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল এনআইযের তরফে।

এনআইএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নথিপত্র সংগ্রহের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে এবং শীঘ্রই সিদ্দিকির বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ জারি করার জন্য ফ্রান্সে লায়নে ইন্টারপোল সদর দফতরে তা পাঠানো হবে। সিদ্দিকির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি যখন, ২০১৪ সালে শ্রীলংকায় পাকিস্তানি হাইকমিশনে কর্মরত ছিলেন তখন ভারতে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। তামিলনাড়ু পুলিশের হাতে ২০১৪ সালে গ্রেফতার হওয়া শ্রীলঙ্কার বাসিন্দা সাকির হোসেনের কাছ থেকেই তাঁর নাম জানা যায়। সাকির এখন সাধারণ অপরাধীর মতো জেলে থাকলেও আগামী বছরেই তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে।

হুসেন জেরার মুখে স্বীকার করে, চেন্নাইয়ের মার্কিন দূতাবাস এবং বেঙ্গালুরুতে ইজরায়েলের দূতাবাসে ২৬/১১-এর মতো বড়োসড়ো নাশকতার জন্য সে এবং তার আর এক সঙ্গী মলদ্বীপ থেকে ভারতে আসে। সে সময় সিদ্দিকি শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় পাকিস্তান হাইকমিশনারের অধীনে ভিসা কাউন্সেলরের কাজ করতেন। ঘটনার তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে ভারত সিদ্দিকির খোঁজ শুরু করলেই পাকিস্তান তাঁকে নিজের দেশে ফিরিয়ে নেয়।

উল্লেখ্য, চেন্নাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট আক্রমণের জন্য সন্ত্রাসী চক্রান্তের কোড নাম ছিল “ওয়েডিং হল” এবং সেই ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের সাংকেতিক নাম ছিল ”কুক”। যারা মালদ্বীপ থেকে ভারতে প্রবেশ করতো। হুসেন শ্রীলংকায় অবস্থিত বিভিন্ন পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠকের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে এবং দুই “ফিদাইন” (আত্মঘাতী হামলাকারী)-এর সঙ্গে ব্যাংককে সাক্ষাতের কথাও স্বীকার করেছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন