nirav-modi interpol

ওয়েবডেস্ক: হংকং থেকে ব্রিটেন হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলে গিয়েছেন পলাতক হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদী। এমনই জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় এক তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টে।

গত ফেব্রুয়ারিতে যখন মোদীর একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছিল তখনই চুপিসারে হংকং ছাড়েন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অন্তত এক মাস তিনি লন্ডনে ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।

নীরব কী ভাবে আইনকে ধোঁকা দিয়ে পালিয়েছেন তার একটি রিপোর্ট এসেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার হাতে। সেই রিপোর্টে দেখা গিয়েছে ১ জানুয়ারি মুম্বই থেকে পালিয়ে নীরব প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে যান। সেখানে এক মাস থাকার পরে ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ হংকং চলে আসেন তিনি। আমিরশাহিতে তিনি গ্রেফতার হয়ে যেতে পারেন, এই ধারণা থেকেই সেখান থেকে পালান তিনি। হংকং-এ আসার দু’দিন আগেই মোদী স্ত্রী অ্যামি, ভাই নিশাল, মামা মেহুল চোকসি-সহ তাদের একাধিক সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে সিবিআই।

রিপোর্টে বলা হয়েছে হংকং-এ বেশি দিন থাকার পরিকল্পনা করলেও সেখানকার আইনি জটিলতায় সে শহরও ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি লন্ডনে চলে আসেন।

লন্ডনে বন্ড স্ট্রিট মেট্রো স্টেশন লাগোয়া একটি বিলাসবহুল বাড়িতে এক মাস থাকতেন নীরব। এরপরেই সম্ভবত মার্চের মাঝামাঝি নিউ ইয়র্কে চলে যান তিনি। তদন্তকারীদের ধারণা নীরবের ভারতীয় পাসপোর্ট অবৈধ হওয়ার বেলজিয়ামের পাসপোর্ট ব্যবহার করে এতো ভ্রমণ করেছেন নীরব।

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারের কাছে ব্রডওয়ে স্ট্রিট লাগোয়া একটি বাড়িতে রয়েছে নীরব। ওই অঞ্চলে প্রায়েই নিজের বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে নীরবকে দেখা যায়।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে হংকং-এ  তিনটে অলঙ্কারের দোকান রয়েছে নীরবের। পিএনবি থেকে যত টাকা নীরব নিয়েছেন সেই টাকাগুলি এই তিনটে দোকানে খাটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে নীরব যখন ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিই হংকং ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তখন, মার্চের শেষে কেন তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য চিনা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here