KCR

ওয়েবডেস্ক: মেয়াদ পূরণ হওয়ার ন’মাস আগে মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির (টিআরএস) প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে নিয়ে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ দিন জাতীয় কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীকে তীব্র কটাক্ষ করার পর বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিল বিজেপি শিবির। তবে তাদের আনন্দিত হওয়ার যে কোনো কারণ নেই সে কখাও জানিয়ে দিলেন ইত্যবসর পরেই।

এ দিন টিআরএসের তরফে স্পষ্টতই জানানো হয়, বিজেপির সঙ্গে জোটে যেতে তাদের কোনো আগ্রহ নেই। তবে মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এমআইএম)-কে তারা ‘বন্ধুদল’ হিসাবেই দেখছে। যদিও ওই দলের সঙ্গেও নির্বাচনী সমঝোতায় যাবে না টিআরএস। রাও জানান, “এমনটা হতে পারে এমআইএম যেখানে প্রার্থী দেবে সেখানে আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যেতে পারি। তবে এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। সবে তো শুরু”।

তবে বিজেপির সঙ্গে টিআরএসের সদ্ভাব বজায় থাকার ছবি দেখেও রাজনীতির কারবারিরা ধারণা করেছিলেন, আগামী ভোটে হয়তো রাওয়ের দল গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে। কিন্তু রাও এ দিন তাঁদের আশায় জল ঢেলে দিয়ে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেন, “এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই কেন্দ্রের শাসক দলের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সেটা শুধু মাত্র রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের সম্পর্কের নিরিখেই। এর মধ্যে অন্য কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই”।


আরও পড়ুন: মেয়াদ পূর্ণের ন’মাস আগেই তেলঙ্গনা বিধানসভা ভেঙে দিলেন চন্দ্রশেখর রাও

গত আগস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দু’টি বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন রাও। সেখান থেকেই ধারণার জন্ম নেয়, আগামী দিনে বিজেপির সঙ্গে সমঝোতায় যেতে পারে টিআরএস। কিন্তু রাও বলেন, “আমরা ধর্মনিরপেক্ষ জোটেই বিশ্বাসী। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ নিজেও বলেছেন, টিআরএস এমআইএমের হাত ধরলে আমাদের সঙ্গে জোটের কোনো প্রশ্ন নেই”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন