devegowda

ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে অধিকাংশ জনমত সমীক্ষা। বেশির ভাগ সমীক্ষাই বলছে, আসন্ন নির্বাচনে কিংমেকারের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে দেবগৌড়ার জনতা দল (সেকুলার)কে। যদিও বেশির ভাগ সমীক্ষাই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে দেখানো হয়েছে কংগ্রেসকেই।

এর মধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে এ রকম পরিস্থিতি এলে কী করবে জনতা দল (এস)। কারণ সরকার তৈরি করতে হলে বিজেপি বা কংগ্রেসের দেবগৌড়াকে প্রয়োজন হতেই পারে।

এখানেই মোক্ষম একটি বার্তা দিয়ে জেডিএসের সর্বেসর্বা দেবেগৌড়া জানিয়েছেন বিজেপির সঙ্গে কোনো ভাবে কোনো জোটে যাবে না তাঁর দল। কেন জোটে যাবে না সে কারণও বলেছেন তিনি। দেবেগৌড়ার দাবি শেষ বার কর্নাটকে যখন বিজেপি সরকার ছিল, তখন রাজ্যের বিস্তর ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “বিজেপির পাঁচ বছরের রাজত্বকালে তিনজন মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছিল কর্নাটক। কারা কারা জেলে গিয়েছিলেন তাদের নাম না হয় নিলাম না।”

আরও পড়ুন: কর্নাটক নির্বাচন নিয়ে কী বলছে জনমত সমীক্ষা

তবে এর পাশাপাশি কংগ্রেসকে সমর্থন করাও ভুল ছিল বলে দাবি করেছেন প্রবীণ এই নেতা। গত কয়েক বছরে রাজ্যে স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে গিয়েছিল জনতা দল। সেই জোটে তাদেরই আখেরে ক্ষতি হয়েছিল বলে জানান দেবেগৌড়া।

আসন্ন নির্বাচনে মায়াবতীর বিএসপির সঙ্গে জোট করেছে জেডিএস। দেবেগৌড়ার দাবি, বিজেপির ইয়েদুরাপ্পা বা কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া নন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য একমাত্র তাঁর ছেলে এইচডি কুমারস্বামী।

যদিও ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েই কর্নাটকে সরকার চালিয়েছে জেডিএস। ২০০৬ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন কুমারস্বামীও।

এ দিকে জেডিএসের সঙ্গে যাবতীয় জোট জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তাঁর দাবি, কর্নাটকে ত্রিশঙ্কু বিধানসভার পরিস্থিতি তৈরিই হবে না। তিনি বলেন, “এ রকম কোনো পরিস্থিতিই তৈরি হবে না। আমরা আশাবাদী যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে কংগ্রেস।”

এর পাশাপাশি সিদ্দারামাইয়া দাবি করেন, বিজেপির সঙ্গে কৌশলগত বোঝাপড়া রয়েছে জেডিএসের। জেডিএস কোনো ভাবেই ধর্মনিরপেক্ষ দল নয় বলেও দাবি করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here