নয়াদিল্লি: দু’সপ্তাহ আগে সংক্রমণে যে চিত্রটা ছিল, এখনও সেটাই রয়েছে। এটা পরিষ্কার করেই বলে দেওয়া যায় যে ভারতে বর্তমানে সামগ্রিক ভাবে কোভিড সংক্রমণে কোনো স্ফীতি সে ভাবে দেখা যাচ্ছে না। স্বস্তির খবর এই যে মৃত্যুহার ক্রমশ নিম্নমুখী।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে কোভিডে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৮৪০ জন। এই সংখ্যাটা বুধবার ছিল ১৮ হাজার ৮১৫ জন। আবার যদি ৬ জুলাইয়ের কথা ভাবা হয়, সে দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৮ হাজার ৯৩০ জন। দু’সপ্তাহ আগে সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার একটু নীচে।

অর্থাৎ এই তথ্য দেখে একটা কথা বোঝাই যাচ্ছে যে গত জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ ক্রমশ বাড়তে থাকলেও তার পর আর সামগ্রিক ভাবে কোনো বৃদ্ধি নেই।

তবে এর পেছনে অন্য একটা ব্যাপারও আছে। দু’সপ্তাহ আগে অনেক বেশি সংক্রমণ রেকর্ড করছিল দিল্লি, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলি। এখন সেখানে সংক্রমণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। কিন্তু এখন আবার সংক্রমণ বেশি চলছে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে। আশা করা যায় যে এই দুই রাজ্যেও অচিরেই সংক্রমণ কমতে শুরু করবে।

এ দিকে, পরিসংখ্যানেই দেখা যাচ্ছে যে মৃত্যুহার কতটা কমে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মারা গিয়েছেন ৪৩ জন।এটা দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে মাত্র ০.২২ শতাংশ। যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া হয় যে সাধারণত রোগ নির্ণয়ের দশ দিন পর একটা রোগী মারা যাচ্ছেন, তা হলেও মৃত্যুহার একই থাকছে। কারণ দশ দিন আগেও দেশে সংক্রমণ কার্যত এই এক জায়গাতেই ছিল।

এ দিকে, সামগ্রিক মৃত্যুহারও কমছে। দেশে এই মুহূর্তে সামগ্রিক মৃত্যুহার এসে ঠেকেছে ১.২০ শতাংশে। জুনের শুরুতে এটা ছিল ১.২৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে এটা বলাই যে করোনার চলতি স্ফীতি কোনো রকম উদ্বেগ বা আশংকার ছবি প্রকাশ করছে না।

আরও পড়তে পারেন

অতিমারির ‘লেজ’ চলছে ভারতে, ডিসেম্বরে ফের মৃদু করোনাস্ফীতির সম্ভাবনা

টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন ইলন মাস্ক, ফাঁসতে পারেন মামলার জালে

লাদাখে ফের চিনা প্ররোচনা, সীমান্তের কাছাকাছি চলে এসেছিল যুদ্ধ বিমান

অন্ধ্রের শাসক শিবিরে ভাঙন! ছেলের দল ছেড়ে মেয়ের দলে যোগ দেওয়া ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর মায়ের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন