Rajya Shaba
ডেপুটি চেয়ারম্যানের লড়াই হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি

ওয়েবডেস্ক: রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারপার্সনপদ থেকে আগামী ২ জুলাই অবসর নিতে চলেছেন পি জে কুরিয়েন। স্বাভাবিক ভাবেই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে এই পদে নির্বাচন অবশ্যাম্ভাবী। ২০১৯ লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যসভার এই গুরুত্বপূর্ণ পদের নির্বাচনকে বিজেপি-বিরোধী জোটের মহড়া হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

সূত্রের খবর, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারপার্সনপদের নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার নয়াদিল্লিতে গুঞ্জন ছড়ায়, দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়কে প্রার্থী করতে পারে তৃণমূল। এর পরই দলীয় ভাবে সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ান জানান, প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনার পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপাতত যা খবর, জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ যে পৃথক প্রার্থী দেবে না, তা প্রায় নিশ্চিত। রাজ্যসভায় তাদের সাংসদ সংখ্যা দ্বিতীয় বৃহত্তম (৫১) হলেও বিজেপি-বিরোধী ফ্রন্টের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তারা তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজু জনতা দলের (বিজেডি) সঙ্গী হতে পারে। সেই হিসাবে আবার বিজেডির (৯) থেকে এগিয়ে আছে তৃণমূল (১৩)। এ ছাড়া তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের কাজ অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন। সব মিলিয়ে তাঁর দলের প্রার্থীকেই সমর্থনের পাল্লা ভারী হতে পারে কংগ্রেসের তরফে।

কিন্তু কংগ্রেস-সহ ইউপিএ-র অন্যান্য দল, সঙ্গে তেলঙ্গনা রাষ্ট্রীয় সমিতি, এসপি বা বিএসপি তৃণমূলকে সমর্থন করলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাংসদ সংখ্যা জোগাড় করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে  বিজেডি অথবা বামফ্রন্ট সাংসদদের সমর্থনের।

এ ব্যাপারে যদি কংগ্রেস বাড়তি উদ্যোগ নিয়ে বিজেডির সমর্থন আদায় করতে পারে, তা হলে বিজেপি-বিরোধী জোট প্রার্থীর জয় নিশ্চিত হতে পারে। কারণ সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার সদিচ্ছা থাকলেও রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারপার্সনপদে তৃণমূলকে সমর্থন কোনো মতেই সম্ভব নয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here