নয়াদিল্লি: বিমুদ্রাকরণ সংক্রান্ত এক গুচ্ছ আবেদনের শুনানি চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও, প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এ ব্যাপারে এমন কোনো অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করল না, যাতে সাধারণ মানুষ একটু স্বস্তি পান। গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলিতে, বিশেষ করে চিকিৎসা, রেল প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুরোনো কারেন্সি নোট চালানো বা নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে ২৪ হাজার টাকা তোলার ঊর্ধ্বসীমা ব্যাঙ্ককে মানতে বাধ্য করার মতো কোনো নির্দেশ এল না শীর্ষ আদালতের কাছ থেকে। বরং আদালত পুরো দায়িত্বটাই ছেড়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনার ওপর।

বিষয়টি নিয়ে সরকার যথেষ্ট সংবেদনশীল এই মন্তব্য করে ডিভিশন বেঞ্চ বলল, জনগণ যে দুর্দশায় পড়েছেন, তা লাঘব করতে সরকার মাঝেমাঝেই সব কিছু বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। সরকারের ওপর আস্থা রেখে ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, নিজের আর্থিক নীতির শ্রেষ্ঠ বিচারক সরকার নিজেই।

৮ নভেম্বরের বিমুদ্রাকরণ সংক্রান্ত ঘোষণার সাংবিধানিক ও আইনগত বৈধতা যাচাই করতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গোটা বিষয়টি পাঁচ সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। এবং একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতে ডিমনিটাইজেশন সংক্রান্ত যে সব মামলা চলছে তা স্থগিত করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। তারা জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা চলবে শুধুমাত্র শীর্ষ আদালতে। দেশের অন্য কোনো আদালত এ সংক্রান্ত কোনো আবেদন গ্রহণ করতে পারবে না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here