নয়াদিল্লি: যে সব বাবা-মায়েরা সন্তান দত্তক নিতে চান, তাঁরা পয়লা মে থেকে সন্তান বাছাই করতে পারবেন না। জাতীয় দত্তক সংস্থা তাঁদের যে সন্তানটি নিতে বলবেন, তাকেই কেবল তারা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

এতদিন পর্যন্ত সরকারের দত্তক বিষয়ক পোর্টাল CARINGS-এ যে সব অভিভাবকরা নথিভুক্ত থাকতেন, তাঁদের তিনজনের মধ্যে একজনকে বেছে দত্তক নিতে হত।

এখন থেকে ওই পদ্ধতি আর থাকছে না, কেবলমাত্র ১জন শিশুকেই ইচ্ছুক অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

“দত্তকের হার খুব কম এবং যে সব শিশুরা তালিকা থাকে, তারা দীর্ঘদিন ধরে তালিকায় থেকেই যায়। নতুন পদ্ধতিতে আমরা তালিকার সব শিশুকে সমান সংখ্যক অভিভাবকের কাছে দত্তক নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিতে পারব”,বলেন শিশু দত্তক সম্পদ সংস্থার সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল দীপক কুমার।

এখন প্রত্যেক অভিভাবক তিনবার দত্তক নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কিন্তু একটির পর পরবর্তী সুযোগ আসবে ৯০ দিনের তফাতে। প্রতিবারই তাঁদের কাছে আলাদা শিশুর প্রস্তাব দেওয়া হবে। তিন বারেও যদি কারও শিশু পছন্দ না হয়, তাহলে সেই অভিভাবক ওয়েটিং লিস্টের একেবারে নীচে চলে যাবেন।

কুমার বলেন, “বাছাই করে নেওয়ার পদ্ধতি বন্ধ করার মধ্য দিয়ে আমরা দত্তক হতে পারে এমন শিশুদের পণ্যায়ন বন্ধ করছি”।

আরও পড়ুন: আইনে বদল, শিশু দত্তক নিতে পারবেন সৎ বাবা-মা ও আত্মীয়রা

কোনো শিশু সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর, তাকে দত্তক নেবেন কিনা, তা ঠিক করার জন্য অভিভাবকদের হাতে ৪৮ ঘণ্টা সময় থাকবে। তাঁরা রাজি হলে পরবর্তী ২০ দিনের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে, তাঁদের হাতে দত্তক সন্তানকে তুলে দেওয়া হবে।

শিশু দত্তক সম্পদ সংস্থা বা CARA-র কাছে দত্তক শিশুর চাহিদা প্রচুর। সংস্থার পোর্টালে এই মুহূর্তে ১৫,০০০ অভিভাবক নথিভুক্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁদের কাছে দত্তক হতে পারে এমন শিশু রয়েছে মাত্র ১৮০০-২০০০ জন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here