bihar nda

পটনা: জেডিইউ, এলজেপি এবং আরএলএসপি। বিহারে বিজেপির তিন শরিক। সব শরিকের মধ্যেই কিছু না কিছু বিষয় নিয়ে ক্ষোভ ছিল। সেই সব ক্ষোভ কাটানোর জন্য সব শরিককে নৈশভোজের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু আদতে ওই নৈশভোজে শুধু খাওয়াদাওয়াই হল। বিজেপির অস্বস্তি কাটল, এমন কোনো প্রমাণই পাওয়া গেল না।

অবশ্য এই নৈশভোজের তাল বৃহস্পতিবার সকালেই কেটে যায়, যখন এনডিএ ছাড়ার কথা ঘোষণা করে তাদের এক শরিক, উপেন্দ্র খুশওয়াহার দল আরএলএসপি। অগত্যা রামবিলাস পাসওয়ান এবং নীতীশ কুমারদের নিয়ে এই নৈশভোজ হয়। কিন্তু সূত্রের খবর ওই অনুষ্ঠানে একে অপরের সঙ্গে রাজনৈতিক কথাই বলেননি কেউ।

সামনের বছর লোকসভা নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে ইতিমধ্যেই নীতীশের জেডিইউয়ের সঙ্গে বিজেপির দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। এই আবহেই এই নৈশভোজের ডাক দেওয়া হয়েছিল যাতে শরিকদের মধ্যে আরও বেশি করে সমঝোতা হয়।

উল্লখ্য, কিছু দিন আগেই জেডিইউ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এনডিএর দেশব্যাপী মুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হলেও, বিহারে এনডিএর মুখ নীতীশ। এতেই বেজায় চটে যায় আরএলএসপি। মূলত জেডিইউয়ের ওপরে ক্ষুব্ধ হয়েই এনডিএ ছাড়ার কথা ঘোষণা করে দেয় তারা। শুধু তা-ই নয়, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধেও ক্ষুব্ধ কুশওয়াহা।

তাঁর অভিযোগ, বেশ কয়েক দিন ধরে রামবিলাস পাসওয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন অমিত। অথচ ২০১৪-এর নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোটে গিয়ে তিনটে আসনে জেতা আরএসএলপির নেতা কুশওয়াহার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই তিনি করছেন না।

সুতরাং বিহারের এনডিএর শরিকদের মধ্যে অস্বস্তি এতটুকুও কমেনি বলে জানিয়েছে রাজনৈতিক মহল। তবে নৈশভোজের পরে বিহারজাত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “এনডিএর ঐক্য খুব শক্তিশালী। আজকের নৈশভোজেই তার প্রমাণ হয়ে গেল। এনডিএর ঐক্যের ব্যাপারে বিহার এক উদাহরণ সৃষ্টি করল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here