‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ নিয়ে প্রবল বেকায়দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

0
Amit Shah
ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: বিভিন্ন জনসভায় ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপি নেতারা। তাঁদের মধ্যে অমিত শাহের আক্রমণের ঝাঁঝ সব থেকে বেশি থাকে। এই ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-কে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ারও কথা বলেছেন অমিত। কিন্তু এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকই স্বীকার করে নিল যে এই ধরনের ‘গ্যাং’-এর কোনো অস্বিত্বই নেই দেশে।  

এই ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ সম্পর্কে জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনের (আরটিআই) মারফত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করেছিলেন মানবাধিকার কর্মী সাকেত গোখেল। তার জবাবে অমিত শাহেরই মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ সম্পর্কে তথ্য তাদর কাছে নেই। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, বিজেপি নেতারা টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের কথা বললেও আসলে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

মন্ত্রকের জবাবের সূত্র ধরে গোখেল বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, একে অপরের পরস্পরবিরোধী তথ্য দিচ্ছেন। তাই বিষয়টি নিয়ে এ বার তিনি নির্বাচন কমিশনে যাবেন।

গোখেল ‘আউটলুক’ পত্রিকাকে জানান, তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের কাছে নোটিশ পাঠাবেন। গত ৬ জানুয়ারি এক টিভি সাক্ষাৎকারে বিদেশমন্ত্রী বলেন, তিনি যখন জেএনইউ-এর ছাত্র ছিলেন, তখন সেখানে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বলে কিছু ছিল না।

ভারতীয় রাজনীতিতে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ শব্দবন্ধের আমদানি বিজেপির হাত ধরে। তাদের দাবি, জেএনইউ বিচ্ছিন্নতাবীদের আখড়া। এখানে বসেই ভারতকে টুকরো টুকরো করার চক্রান্ত হয়।

২০১৬ সালে জেএনইউয়ে ‘আজাদি’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে যে প্রবল বিতর্ক হয়েছিল সেখান থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি গেরুয়া শিবিরের। পরে যদিও জানা যায়, যে পরিপ্রেক্ষিতে ওই ‘আজাদি’ স্লোগান তোলা হচ্ছিল, তার সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদের কোনো সম্পর্কই নেই।

আরও পড়ুন এক ধাক্কায় তিন ডিগ্রি ঝাঁপ তাপমাত্রার, শীত ফিরল শহরে

দেশের বিভিন্ন সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে সেই সমস্যাগুলি থেকে ‘আজাদি’ পাওয়ার কথাই তখন বলেছিলেন জেএনইউয়ের তৎকালীন ছাত্রসংসদের সভাপতি কানহাইয়া কুমার। যদিও তার পরেও বিজেপি নেতারা তাদের ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর কথায় অবিচল।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.