ওয়েবডেস্ক: পুরসভা পরিচালিত হাসপাতালে ‘অ্যান্টি র‍্যাবিস’ প্রতিষেধকের কোনো ব্যবস্থাই নেই। এর প্রভাবে গত দু’বছরে দিল্লিতে কুকুরের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। ২০১৬ থেকে ২০১৮-এর এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত তিন হাজার লোক কুকুরের কামড় খেয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের গাফিলতিতে চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিতই রয়েছেন তাঁরা।

প্রতিষেধক না থাকার সমস্যাটা মূলত উত্তর দিল্লি পুরসভার অধীনে থাকা হাসপাতালগুলিতে। কেন প্রতিষেধক পাওয়া যাচ্ছে না সে ব্যাপারে একটা যুক্তি খাড়া করেছেন উত্তর দিল্লি পুরসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান বীণা বিরমাণি। তাঁর কথায়, “যে সংস্থাটির থেকে এই প্রতিষেধকগুলি কেনার কথা তাদের সঙ্গে চুক্তি পুনর্নবীকরণ হয়নি।” কবে সেই চুক্তি হবে সে ব্যাপারেও কিছু জানাতে পারেননি বীনাদেবী।

উত্তর দিল্লি পুরসভার থেকে পাওয়া তথ্য দেখা যাচ্ছে, ২০১৫-১৬-এ দিল্লিতে কুকুরের কামড়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৪ জনের, পরের অর্থবর্ষে সংখ্যাটি কমে হয় ৫। ২০১৭ সালে কুকুরের কামড় খেয়েছিলেন ১১০০ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) একটি তথ্য বলছে, ভারত এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় বছরে অন্তত ২৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় র‍্যাবিসে। ভারতকে র‍্যাবিসমুক্ত করার জন্য বারবার নির্দেশ দিয়েছে হু। কিন্তু হাসপাতালের যা অবস্থা, তাতে র‍্যাবিসমুক্ত ভারতের স্বপ্ন কবে সফল হবে সেটাই এখন সব থেকে বড়ো প্রশ্ন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here