vaishno devi

ওয়েবডেস্ক: অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য দিনে পঞ্চাশ হাজারের বেশি পুণ্যার্থী যেতে পারবেন না বৈষ্ণোদেবী। এমনই নির্দেশ দিল পরিবেশ আদালত।

পরিবেশ আদালতের চেয়ারপার্সন বিচারপতি স্বতন্ত্র কুমারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার তাদের রায়ে জানায় যদি যাত্রীসংখ্যা পঞ্চাশ হাজার ছাড়িয়ে যায় তা হলে অতিরিক্ত পুণ্যার্থীকে অর্ধকুয়ারি বা কাটরায় আটকে দিতে হবে। আদালতের মতে দিনে পঞ্চাশ হাজার পুণ্যার্থীর বেশি মানুষ ধারণের ক্ষমতা নেই মন্দির কমপ্লেক্সের।

এই নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বৈষ্ণোদেবী সংক্রান্ত আরও কিছু নির্দেশ আদালত দিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম মন্দির প্রাঙ্গণে যাবতীয় নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া। আদালতের কথায় এ মাসের ২৪ তারিখের মধ্যে বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার নতুন একটি রাস্তা খুলে দিতে হবে। রিয়াসী জেলার ত্রিকুট পাহাড় দিয়ে যে রাস্তা গিয়েছে সেই রাস্তা দিয়ে শুধুমাত্র হেঁটে এবং বা ব্যাটারিচালিত গাড়িতেই যাওয়া যাবে। ঘোড়াদের ওই রাস্তায় অনুমতি দেওয়া হবে না। আস্তে আস্তে পুরোনো রাস্তা থেকেও ঘোড়াদের সম্পূর্ণ ভাবে সরে যেতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

আদালত এ দিন জানায়, “৪০ কোটি টাকা খরচ করে নতুন যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে সেটা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে খুলে দিতে হবে। যদি সেটা না হয় তা হলে নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ বৈষ্ণোদেবীর দু’টি রাস্তাকে কেউ দূষিত করলে তার থেকে দু’হাজার টাকা জরিমানা নেওয়া হবে। একই জরিমানা নেওয়া হবে কাটরা বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া অঞ্চলের ক্ষেত্রেও।

সমাজকর্মী গৌরী মউলেখি দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতেই এই রায় দিয়েছে আদালত।

এখনও পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ লিখিত ভাবে তাঁরা পাননি বলে জানিয়েছেন বৈষ্ণোদেবীর শ্রাইন বোর্ডের সিইও জেকে সিংহ। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মানবেন বলে জানিয়েছেন সিংহ। তবে তিনি বলেছেন, কখনোই এক দিনে চল্লিশ হাজারের বেশি পুণ্যার্থী বৈষ্ণদেবী আসেননি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here