amit-shah

ওয়েবডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই যেন শক্তিশালী হয়ে উঠছে বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির জোট। এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট রূপরেখা নির্মিত না হলেও বিভিন্ন রাজ্যের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসের সমঝোতায় সেই চিত্রই স্পষ্ট হচ্ছে। উলটো দিকে বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ জোটে যেন চিড় ধরছে সময় যত গড়াচ্ছে। মঙ্গলবারই চাউর হয়ে গিয়েছে, গোঁসাঘরে ঢোকা শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের মানভঞ্জনে খোদ তাঁর শরণাপন্ন হচ্ছেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, পঞ্চাবে বিজেপির শরিক শিরোমণি অকালি দলের প্রধানের সঙ্গেও সশরীর সাক্ষাতে যাচ্ছেন অমিত।

সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট করে দিয়েছে ২০১৪-র ফলাফলের পুনরাবৃত্তি করতে হলে বিজেপি-কে এনডিএ-র শরিক দলগুলির উপর আরও বেশি করে নির্ভর করতে হবে।ওই উপনির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, চারটি লোকসভার মধ্যে একটি এবং ১১টি বিধানসভার মধ্যে একটিতে জিতেছে বিজেপি। স্বাভাবিক ভাবে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ জুটির হৃদস্পন্দন যে ঈষৎ বেড়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে এর মধ্যে উত্তরপ্রদেশের কৈরানা লোকসভার উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপিকে সব থেকে বেশি হতাশ করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে, নিজেদের দখলে থাকা আসন যে ভাবে বিরোধী জোটের হাতে তুলে দিতে হয়েছে, সেই নিয়ে আতঙ্ক এবং আশঙ্কা দুই-ই প্রকট হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বের মন্তব্যে। পাশাপাশি বিহারের চরম পরাজয়ের পর এনডিএ শরিক জেডি (ইউ) এবং আর এলএসপি নেতৃত্বের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে বিজেপিকে। ভোট মিটতেই নীতীশ কুমারের দল যে ভাবে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের দাবি নিয়ে দর কষাকষি শুরু করে দিয়েছে, তাতে আশ্বস্ত হতে পারছেন না অমিত শাহরা। তাতে এলজেপি নেতা রামবিলাস পাসওয়ান যতই মলম লাগানোর চেষ্টা করুন না কেন, বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করার কোনো উপায়ই নেই।

মঙ্গলবারই জানা গিয়েছে, অমিত নিজে গিয়ে কথা বলতে চান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে। একই সঙ্গে বিজেপি সূত্রে খবর, তাঁর পরবর্তী গন্তব্য পঞ্জাব। সেখান আবার জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে টক্কর দেওয়ার কাজে অকালিই এক মাত্র ভরসা বিজেপির। অমিত যে কারণে মহারাষ্ট্র সফরের পরই পঞ্জাবে গিয়ে একান্ত ভাবে কথা বলতে চান অকালি নেতা সুখবীর সিং বাদলের সঙ্গেও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here