opposition parties
গত বছর কুমারাস্বামীর শপথ অনুষ্ঠানে বিরোধীরা।

ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনপর্ব চলাকালীনই রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করে এনডিএ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন ওমপ্রকাশ রাজভর। কিন্তু সরকারি ভাবে এখনও তিনি এনডিএতেই রয়েছেন। ফলে তিনি বা তাঁর দল সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি (এসবিএসপি) এখনও এনডিএরই শরিক। সেই রাজভরই এমন একটা কথা বললেন, যেটা সত্যি হলে বিজেপির কপালে বড়ো বিপদ রয়েছে।

রাজভরের দাবি, উত্তরপ্রদেশ থেকে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে বিজেপি। সপা-বসপা জোটের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না তারা। রাজভরের পূর্বাভাস, উত্তরপ্রদেশের ৮০টা আসনের মধ্যে মাত্র ১৫টায় জয় পেতে পারে তারা। তিনি বলেন, “সপা-বসপা জোট ৫৫ থেকে ৬০টা আসন জিততে পারে। কংগ্রেস ২-৩টে আসন পাবে।”

আরও পড়ুন বিশ্বের সব থেকে জনবহুল এই রাজ্যই ২৩ মে-র বিজয়ী নির্ধারণ করতে পারে!

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন যে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতা দখল করে, তাদের শরিক ছিল এসবিএসপি। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক কখনোই ভালো ছিল না তাঁর। রাজ্যের মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও সরকারের ওপরে মাঝেমধ্যেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজভর। শেষে গত ১৩ এপ্রিল, মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করলেও এখনও সরকারি ভাবে বিজেপির শরিকই রয়ে গিয়েছেন তারা। তবে শরিক থাকলেও এ বারের নির্বাচনে রাজ্যে ৩৯টা আসনে প্রার্থী দেয় এসবিএসপি।

উল্লেখ্য, পূর্ব উত্তরপ্রদেশে রাজভর সম্প্রদায় একটা বড়ো ভোটব্যাঙ্ক। তাদের হাতে রয়েছে কুড়ি শতাংশ ভোট। এই পুরো ভোটটা বিজেপির বিরুদ্ধে গেলে গেরুয়া শিবিরের কাছে তা অশনি সংকেতের কারণ হয়ে উঠতে পারে। রাজভর বলেন, “গোরক্ষপুর, বালিয়া এবং গাজিপুর আসনগুলো বিজেপি যে হারছেই, সে ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহই নেই আর।”

[ দফা ৭ লাইভ: দেখুন এখানে ক্লিক করে ]

উল্লেখ্য, বারাণসীর পরেই বিজেপির কাছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আসন গোরক্ষপুর। কারণ এই আসন থেকে বহু বার বিশাল ব্যবধানে জিততেন যোগী আদিত্যনাথ। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আসনটি ছেড়ে দিতেই ঘটে যায় অঘটন। ২০১৭ সালের উপনির্বাচনে বসপার সমর্থনে বিজেপির হাত থেকে আসনটি জিতে নেয় সপা। যদিও সপা সাংসদ পরবর্তী কালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তবুও সেই আসনটি এ বারও সপার দখলেই যেতে পারে বলে মনে করছেন রাজভর।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here