ভারতে বিক্রি হওয়া দু’টি গাড়ির মধ্যে একটি তৈরি হচ্ছে সানন্দে: টাটা মোটর্স

0

সানন্দ: পশ্চিমবঙ্গ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন গুজরাতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। টাটার ন্যানো গাড়ির বিক্রি কমে যাওয়ায় ‘গেল গেল’ রব উঠেছে। তবুও গুজরাতের সানন্দ সারা ভারতের কাছে নজির সৃষ্টি করে ফেলল। সম্প্রতি টাটা মোটর্সের পক্ষ থেকেই জানিয়ে দেওয়া হল, ন্যানোর বিক্রি কমলে কী হবে, এ সময়ে ভারতের বাজারে যদি তাদের উৎপাদিত দু’টি ছোটো যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রি হয়, তবে তার মধ্য়ে একটি আসছে গুজরাতের ওই সানন্দ প্রকল্প থেকেই।

এই সাফল্য শুধু টাটা মোটর্সের নয়, সুজুকি, ফোর্ড, হন্ডা এবং হিরো মোটরকর্প, আহমেদাবাদ জেলার সানন্দ এবং তার আশেপাশের এলাকাগুলিতে একে একে গড়ে তুলেছে যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ি উৎপাদনের প্রকল্প। যা এই এলাকাকে ‘কার হাব’-এ পরিণত করে ফেলেছে। এই এলাকার আর এক বিশেষত্ব,  হন্ডা তাদের নিজস্ব  মোটরসাইকেল এবং স্কুটার উৎপাদনের যে প্রকল্পটি এখানে গড়ে তুলেছে, তা বিশ্বের বৃহত্তম স্কুটার উৎপাদন কারখানা।

কিন্তু এই সাফল্যের আগে সানন্দের ভাগ্যেও জুটেছিল অসহনীয় যন্ত্রণা। ঠিক যে সময় ন্যানো নিয়ে চলছে নেতিবাচক আলোচনা। আর হবেই না বা কেন, ন্যানোর বিক্রি যে তখন তলানিতে ঠেকেছে। এক লক্ষ টাকার গাড়িতে নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করেও ক্রেতাকে দেওয়া যায়নি পর্যাপ্ত তুষ্টি। স্বাভাবিক ভাবেই ন্যানো প্রজেক্টে শ্রমিক-কর্মচারি ছাঁটাই পর্যন্ত করতে হয় কর্তৃপক্ষকে।

আর এখন ছবিটা পুরোপুরো উল্টে গিয়েছে। ভারতের প্রায় সমস্ত যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ি, বাইক-স্কুটি প্রতস্তুকারক সংস্থাগুলি হয় সানন্দে প্রকল্প স্থাপন করেছে অথবা প্রকল্প গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা করছে। শুধুমাত্র টাটা মোটর্সেই এখন কর্মী সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।  গত বছর থেকে সেকেন্ড শিফটে কাজ চালু হয়েছে।

অন্য় দিকে সুজুকির স্থানীয় চেয়ারম্যান আর সি ভার্গব জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থা যখন এখানে প্রকল্প গড়েছিল তখন, ছিল না কোনো স্কুল,কলেজ, হাসপাতাল, বাজার।  এখন দেখে যা বিশ্বাসই হবে না।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন