Connect with us

দেশ

কেন্দ্রকে অর্থনীতির হাল ফেরানোর টোটকা বলে দিলেন মনমোহন সিং

manmohan singh

ওয়েবডেস্ক: অর্থনীতির দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে সরকারি দৃষ্টিভঙ্গির তীব্র সমালোচনা করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। শুধুমাত্র বিরোধীদের দোষারোপ করলেই অর্থনীতির দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা যাবে না বলে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করলেন তিনি।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেন, “অর্থনীতির হাল ফেরানোর আগে সঠিক রোগ নির্ণয়ের দরকার হয়, সরকার শুধুমাত্র বিরোধীদের দোষ দিচ্ছে এবং সে কারণেই সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না”।

কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা বলেন, “সরকারের উদাসীনতা এবং অক্ষমতা’ বেশ কয়েকটি রাজ্যকে প্রভাবিত করেছে, বিশেষত মহারাষ্ট্রের মানুষকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে”।

মুম্বইয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মহারাষ্ট্র সব থেকে বড় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, চাহিদায় তীব্র মন্দার সৃষ্টি হয়েছে সেই কারণেই। মহারাষ্ট্রের সর্বাধিক কারখানার মন্দা দেখা দিচ্ছে। এই রাজ্যের পণ্য উৎপাদন শিল্প চিন থেকে বড়ো আমদানির মুখোমুখি হচ্ছে, অথচ তার নিজস্ব শিল্পক্ষেত্রগুলি মুখ থুবড়ে পড়ছে”।

বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদ বলেন, “প্রশাসনের বেশিরভাগ বিজ্ঞাপিত ডাবল ইঞ্জিনের মডেল, যার উপরে ভিত্তি করে বিজেপি ভোট চেয়েছিল তা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। রাজ্যে সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। এটি কম বয়সিদের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে, যার ফলে তারা নামমাত্র বেতনের চাকরি নিতে বাধ্য হচ্ছে।

মহারাষ্ট্রে কৃষক আত্মহত্যার ক্রমবর্ধমান সংখ্যাকে হাতিয়ার করে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধনা করেন। বলেন, “আগে মহারাষ্ট্র বিনিয়োগে প্রথম স্থানে ছিল, কৃষক আত্মহত্যার ক্ষেত্রে আজ এই রাজ্য প্রথম স্থান অধিকার করেছে”।

[ আরও পড়ুন: অভিজিতকে নিয়ে অস্বস্তিতে বিজেপি ]

মনমোহন সিং এর আগেও কেন্দ্রের বিলগ্নিকরণ এবং বেসরকারিকরণ ও জিএসটি বাস্তবায়ন-সহ সরকারের বহুবিধ নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি আগেই সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, দুর্বল অর্থনীতির সমস্যা সমাধানে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দেশকে “দীর্ঘায়িত মন্দা” দেখতে হবে।

দেশ

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভারতে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রক

এখনও পর্যন্ত এ দেশ গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছোয়নি বলে জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতে মোট করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাত লক্ষের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এ দেশ গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছোয়নি বলে জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, “ভারত এখন পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণ বা কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের (community transmission) পর্যায়ে পৌঁছোয়নি। কিছু অঞ্চল বা জায়গায় শুধুমাত্র স্থানীয় প্রাদুর্ভাব (local outbreak) রয়েছে”।

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গেই বাড়ছে শনাক্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব পুণ্যসলিলা শ্রীবাস্তব এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ৮ জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে ৬,৭৯,৮৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর অর্থ প্রতি ১০ লক্ষ মানুষে ৩৫,৭৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। দিল্লিতে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

একই সঙ্গে আইসিএমআরের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট নিবেদিতা গুপ্তা বলেন, প্রতিদিনই নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে। এখন প্রতিদিন সারা দেশে ২.৬ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অ্যান্টিজেন টেস্টের প্রয়োগে এই সংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ওএসডি রাজেশ ভূষণ বলেন, “আমরা বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। ১৩০ কোটি জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে ভারত কোভিড -১৯ পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছে। আপনি যদি প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যার আক্রান্তের সংখ্যার দিকে তাকান, তা হলে এখনও বিশ্বের সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আমাদের দেশ”।

সক্রিয় রোগীর অবস্থান

এ দিনই মন্ত্রিগোষ্ঠীর ১৮তম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. হর্ষ বর্ধন। দেশের যে সমস্ত এলাকায় সংক্রমণ এবং আক্রান্তের মৃত্যুর হার অত্যধিক, সেই সমস্ত জায়গায় বাড়তি নজরদারি চালানোর কথা উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে পেশ করা তথ্য অনুযায়ী, আটটি রাজ্যে সারা দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ সক্রিয় রোগী রয়েছেন। আটটি রাজ্যের তালিকায় রয়েছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্নাটক, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাত, তামিলনাড়ু এবং উত্তরপ্রদেশ। বিস্তারিত পড়ুন: সক্রিয় করোনা রোগীর ৯০ শতাংশই আটটি রাজ্যে!

মৃত্যুর হার

এ দিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ২৯৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৮৯। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৭৮। মারা গিয়েছেন ২১,১২৯ জন।

তবে বেশ কিছু রাজ্যে মৃত্যুর হার জাতীয় হারের থেকে অনেকটাই কম। দেখে নিন ভারতের বিভিন্ন রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃত্যুহার কী রকম রয়েছে: করোনায় মৃত্যুহারে কে কোথায়

Continue Reading

দেশ

লকডাউন সফল করতে কম্যান্ডো মোতায়েন হল কেরলের গ্রামে

তিরুঅনন্তপুরম: করোনাভাইরাসের (Coronavirus) প্রকোপ কমাতে কেরলের তিরুঅনন্তপুরম শহরে আর ওই জেলার বেশ কিছু গ্রামে লকডাউন ঘোষণা করেছে পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) সরকার। এর মধ্যে একটি গ্রামে লকডাউন যাতে কঠোর ভাবে পালন করা হয়, সে কারণে কম্যান্ডোও মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলার সমুদ্রতীরবর্তী গ্রাম পুনথুরায় (Poonthura) ২৫ জন কম্যান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। ওই গ্রামের কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, কমান্ডো, অ্যাম্বুলেন্স এবং পুলিশ গোটা গ্রামের অলিগলিতে মধ্যে রীতিমতো টহল দিচ্ছে।

গ্রামের মানুষ যাতে অহেতুক বাড়ির বাইরে না বেরোয়, সে কারণে সতর্কও করা হচ্ছে। লাউড স্পিকারের ঘোষণা হচ্ছে, “যদি কাউকে অহেতুক ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় তবে সঙ্গে সঙ্গে কম্যান্ডোদের সহযোগিতায় তাঁদের ধরে অ্যাম্বুলেন্সে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে এবং তাঁদের কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হবে”।

বিজয়ন সরকারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই গ্রামে গত ৫ দিনে ৬০০ জনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে যার মধ্যে মোট ১১৯ জন করোনা পজিটিভ হিসাবে ধরা পড়েছে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরলে (Kerala) এই প্রথম স্থানীয় ভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর উদাহরণ পাওয়া গেল। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে যত জন আক্রান্ত হয়েছেন সবাই হয় বিদেশ বা বাইরের রাজ্যের থেকে এসেছেন, কিংবা সেই সব আক্রান্তের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছেন।

পুনথুরা এলাকার কনটেনমেন্ট জোনের দেখভালের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, “যাঁরা প্রথম দিকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি ঘন ঘন তামিলনাড়ুতে যেতেন এবং সেখান থেকে মাছ এনে কুমারচাঁদা নামে একটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতেন।”

ওই কর্তা আরও বলেন, ” এর পর এই গ্রামের যাঁরাই কোভিড পজিটিভ হয়েছেন, তাঁদের সকলের সঙ্গেই এই বাজারের যোগাযোগ রয়েছে।”

এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই মাছ ধরার ওপরে নির্ভরশীল। এবং সে কারণে তাঁদের তামিলনাড়ুতেও ঘনঘন যেতে হয়। কিন্তু আপাতত কয়েক দিন সেই পথটি বন্ধ করেছে বিজয়ন সরকার।

এই গ্রামের কেউই আপাতত তামিলনাড়ু যাবেন না। আর তামিলনাড়ু গিয়ে যাঁরা নৌকোয় ফিরছেন, তাঁদেরও কেরল-তামিলনাড়ু জলসীমান্তে আটকে দেওয়া হচ্ছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী, উপকূলীয় সুরক্ষা এবং মেরিন এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের পর এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

দেশ

অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ‘সবুজ সংকেত’ দেখছেন নরেন্দ্র মোদী

আত্ননির্ভর ভারত স্বনির্ভরশীল এবং স্ব-উৎসাহী হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার ‘ইন্ডিয়া গ্লোবাল উইক ২০২০’ (India Global Week 2020)-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতীয় অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ‘সবুজ-সংকেত’ দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের আবহে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই আয়োজিত হচ্ছে এই সম্মেলন। ভার্চুয়াল ইভেন্টটির থিম রাখা হয়েছে, “বি রিভাইভাল: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বেটার নিউ ওয়ার্ল্ড” (Be The Revival: India and a Better New World)। ওই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৭৫টি পর্বে প্রায় আড়াইশো জন বক্তা বক্তব্য রাখবেন।

এক নজরে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন-

*আত্ননির্ভর ভারত স্বনির্ভরশীল এবং স্ব-উৎসাহী হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

*আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আমাদের কঠোর পরিশ্রমী কৃষকদের জন্য তাঁরা সরাসরি বিনিয়োগ করতে পারেন।

*এই মহামারি (Coronavirus pandemic) আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, ভারতের ফার্মা শিল্প শুধু ভারতের নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি সম্পদ। বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য ওষুধের ব্যয় কমাতে এটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

*ভারত সব দিক সমান ভাবে বজায় রেখেই ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছে। সেটা হবে পরিবেশ ও অর্থনীতি, উভয়ের ক্ষেত্রেই টেকসই। অসম্ভব বলে মনে করা হলেও এটা অর্জন করার চেতনা ভারতীয়দের রয়েছে।

*এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, ভারতে আমরা ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সবুজ-সংকেত দেখছি।

*কয়েক দশক ধরে ভারতীয় প্রযুক্তি শিল্প পথ দেখিয়ে চলেছে।

*ভারত একটি প্রতিভার ভাণ্ডার। সেই প্রতিভা এগিয়ে যাওয়ার পথে অন্যতম অবদান রাখছে।

*ইতিহাস প্রমাণ করেছে, ভারত সংস্কার এবং পুনরুজ্জীবনের প্রতিটা চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করেছে। সেই আত্মবিশ্বাস এখনও সমান ভাবে বজায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, “ভারতীয়রা প্রাকৃতিক সংস্কারক। ফলে অর্থনীতি থেকে শুরু করে সমস্ত ক্ষেত্রে ভারতীয়রা ফের উল্লেখযোগ্য ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে”। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। ফলে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছে এর সুফল আরও বেশি করে পৌঁছে দেওয়া যাবে”।

Continue Reading
Advertisement
ক্রিকেট1 hour ago

করোনাভাইরাস অতিমারির জের, ২০২১-এর জুন পর্যন্ত এশিয়া কাপ স্থগিত

কেনাকাটা4 hours ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

দঃ ২৪ পরগনা5 hours ago

‘গরিবের প্রাপ্য টাকা হজম করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব’, অভিযোগ শমীক লাহিড়ির

বিনোদন5 hours ago

শারীরিক দূরত্বের সঙ্গেই কেক কেটে নিজের জন্মদিন পালন করলেন সঙ্গীতা বিজলানি

ক্রিকেট5 hours ago

ক্যারিবিয়ান পেস-দাপটে উড়ে গেল ইংল্যান্ড ব্যাটিং

রাজ্য6 hours ago

কলকাতায় কমলেও এই প্রথম রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হাজারের ওপর

শিক্ষা ও কেরিয়ার6 hours ago

শুক্রবার আইসিএসই, আইএসসি-র ফল

দেশ6 hours ago

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভারতে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রক

দেশ16 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৭৯, সুস্থ ১৯৫৪৭

কলকাতা1 day ago

কলকাতায় লকডাউনের আওতায় পড়া এলাকাগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশিত

দেশ2 days ago

দ্রুত গতিতে বাড়ছে সুস্থতা, ভারতে এক সপ্তাহেই করোনামুক্ত লক্ষাধিক

রাজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউনের জল্পনা

বিদেশ2 days ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

রাজ্য2 days ago

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাজ্যের কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া লকডাউন

ক্রিকেট1 day ago

১১৬ দিন পর শুরু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডকে স্মরণ ক্রিকেটারদের

কেনাকাটা2 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 hours ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা2 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা3 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে