‘ভারত পেশিশক্তি দেখালে, পাকিস্তানও সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে’, হুঁশিয়ারি ইমরানের বিদেশমন্ত্রীর

0
Imran Khan and shah mahmood qureshi

ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারস্থ হল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারত সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার পর বিষয়টি নিয়ে ঘোর বিরোধিতা করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সে আবেদনে কোনো রকমের আমলই দেয়নি রাষ্ট্রসঙ্ঘ। এর পরই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদকে চিঠি দিয়ে বিশেষ বৈঠকের অনুরোধ জানালেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি।

পাকিস্তান মঙ্গলবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারার অধীনে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনার জন্য আবেদন জানিয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, কুরেশি ওই আবেদনপত্রে লিখেছেন, “পাকিস্তান বিরোধ সৃষ্টি করবে না, তবে আমাদের সংযমকে যদি ভারত দুর্বলতা ভেবে থাকে, তা হলে তারা ভুল করবে”।

রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দিয়ে আবেদন জানানোর আগে কুরেশি চিন গিয়েছিলেন। সেখানে চিনা বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠকের পরেও সে অর্থে কাশ্মীর প্রসঙ্গে চিনের তরফে কোনো সমর্থন আদায়ে আপাতত ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। অন্য দিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ রাশিয়াও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। জম্মু ও কাশ্মীরকে নতুন দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার বিষয়টি ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হয়েছে। এ ব্যাপারে তারা কোনো রকমের হস্তক্ষেপ করবে না।

আমেরিকা এবং ব্রিটেনের তরফেও পাকিস্তানের উচ্ছ্বসিত হওয়ার মতো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টিকে খুবই ভাবগম্ভীর বলে উল্লেখ করেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও রীতিমতো হুমকির সুরে কুরেশি জানিয়েছেন, “আমরা ভারতের ‘ভয়ঙ্কর’ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। এই অবস্থায় ভারত যদি মনে করে তারা পেশিশক্তি দেখাবে, আত্মরক্ষার স্বার্থে পাকিস্তানও সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করবে”। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, “বিপজ্জনক প্রভাবগুলির উপর কড়া নজর রাখছি আমরা”।

তবে পাকিস্তানের এমন আবেদন পাওয়ার পর রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আদৌ জানাবে কি না, সে বিষয়েও সংশয় রয়েছে একটি মহলে। গত শনিবার অবশ্য পাকিস্তান দাবি করেছিল, চিনের সমর্থন তাদের দিকেই রয়েছে‍!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here