Connect with us

দেশ

ভারতের জন্য বড়ো খুশির খবর শোনাল পাকিস্তান

ইসলামাবাদ: বালাকোট অভিযানের পর থেকে বন্ধ থাকা আকাশসীমা অবশেষে খুলে দিল পাকিস্তান। মঙ্গলবার ভোরে এই খবর পাওয়া গিয়েছে পাকিস্তানের অসামরিক উড়ান দফতরের তরফ থেকে।

দফতরের তরফ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলে হয়, “এই মুহূর্ত থেকেই সমস্ত অসামরিক উড়ানের জন্য এ দেশের আকাশসীমা খুলে দেওয়া হচ্ছে।” ব্যাপারটা যে এত সহজে এবং এত তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে সেটা ধারণা করা যায়নি। কারণ কিছু দিন আগেও পাকিস্তান জানিয়েছিল ভারত যতক্ষণ না তাদের পশ্চিম সীমান্তের ফরওয়ার্ড পোস্টগুলি থেকে ট্যাঙ্কার সরাবে, তত দিন আকাশসীমা খোলা হবে না। কী এমন হল, যে রাতারাতি সেই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান বাতিল করল।

spicejjet boeing

আকাশসীমা বন্ধ থাকায় গত কয়েক মাসে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে ভারতের উড়ানগুলি। সব থেকে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে ইউরোপগামী বিমানগুলি। পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় আরব সাগর হয়ে সৌদি দেশগুলির ওপর দিয়ে যেতে হচ্ছিল বিমানগুলিকে। ফলে যেমন এক দিকে উড়ানের সময় লাগছিল প্রচুর, তেমনই জ্বালানি খরচও বেড়ে গিয়েছিল। ফলে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত যে ভারতের কাছে একটা বড়ো স্বস্তি তা বলাই হয়েছিল।

আরও পড়ুন দুঃস্থ মেধাবী পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াল মাতৃভূমি

ব্যাপারটি শুরু হয়েছিল গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। বালাকোটে জইশ শিবিরে ভারতের বিমানহানার পরের দিনই পালটা ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ঢুকে পড়ে পাক বায়ুসেনার একটি বিমান। রজৌরির একটি সেনাশিবিরের কাছে কয়েকটি বোমা ফেলে পালিয়ে যায় তারা। এর পরেই হঠাৎ করে যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হয়ে যায় দুই দেশের মধ্যে। আকাশপথে যুদ্ধ হতে পারে, এই আশঙ্কায় ভারত তাদের উত্তরের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়, পালটা তাদের সব আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। কিন্তু বন্ধ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও, পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধই থাকে।

এ দিকে বিমান সংস্থাগুলির আর্থিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় বার বার পাকিস্তানের কাছে আবেদন করা হয় তাদের আকাশসীমা খুলে দেওয়ার জন্য। অবশেষে সুর নরম করল পাকিস্তান। এর ফলে বিমান সংস্থাগুলি যে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

পড়তে থাকুন
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

১৭ দিন বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন না সাধারণ মানুষ: ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: জুনে সব শনিবার আর রবিবার ওড়িশার (Odisa) বেশ কিছু জেলায় শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল সেটা বুঝিয়ে দিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক (Naveen Pattnaik)।

রাজ্যের উদ্দেশে ভাষণে নবীন বলেন, “রাজ্যের ১১টা জেলায় জুনের সব শনিবার আর রবিবার শাটডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। ফলে জুনে পুরো ৮টা দিন মানুষ ঘরবন্দি থাকবেন।”

এর ওপরে রাজ্যে নৈশ কার্ফুরও যুক্তি দিয়েছেন নবীন। তিনি বলেন, “একই রকম ভাবে রোজ দশ ঘণ্টার নৈশ কার্ফুর (সন্ধ্যা সাতটা থেকে ভোর পাঁচটা) কারণেই সাধারণ মানুষ ঘরবন্দি থাকবেন। এর ফলে তিনশো ঘণ্টা কেউ বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। এই দুটি ব্যাপার যোগ করলে দেখা যাবে যে জুনে ১৭টা দিন মানুষ থাকবেন ঘরবন্দি। এর ফলে কোভিড ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া কিছুটা হলেও আটকানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, রাজ্যের ১১টি জেলায় এই নৈশ কার্ফুর ঘোষণা করে ওড়িশা সরকার। এই ১১টা জেলার মধ্যে তিন জেলা- খুর্দা, গঞ্জাম আর কেন্দ্রপাড়াতেই মোট করোনারোগীর ৭৫ শতাংশ রয়েছে।

রাজ্যের দাবি, অভিবাসী শ্রমিকরা (Migrant Labourers) ফিরে আসায় করোনারোগীর সংখ্যা এমন ভাবে বেড়েছে। যদিও ওড়িশায় সুস্থতার হার ৫০ শতাংশের বেশি, যেটা অনেকটাই স্বস্তির খবর।

রাজ্যের আশা, সপ্তাহান্তের এই শাটডাউনের মধ্যে দিয়ে কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য পাবে তারা।

পড়তে থাকুন

দেশ

এনআইএ-র চার্জশিট মতে, ফেসবুকে ‘লাল সেলাম’, ‘কমরেড’ লেখা অসমে অপরাধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় লেনিনের ছবি আপলোড করা বা ‘লাল সেলাম’, ‘কমরেড’ লেখা অসমের বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) (UAPA) আইন অনুসারে অপরাধ বলে গণ্য হতে পারে।

কৃষক নেতা অখিল গগৈয়ের (Akhil Gogoi) ঘনিষ্ঠ সহযোগী বিট্টু সনোয়ালের (Bittu Sonowal) বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে গিয়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) বলেছে, তাঁর বেশ কিছু বন্ধুকে তিনি ‘কমরেড’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং অন্যান্য শব্দের সঙ্গে ‘লাল সেলাম’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

বিট্টূ এবং অখিলের আরও দুই সহযোগীকে এ বছরের গোড়ার দিকে ইউএপিএ-র বেশ কিছু ধারায় গ্রেফতার করা হয়। গত ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) বিরুদ্ধে গোটা অসম জুড়ে যখন বিশাল বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চলছিল তখন অখিল গগৈকে গ্রেফতার করা হয়।

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০খ, ২৫৩ক, ১৫৩খ এবং ইউএপিএ-র ১৮ ও ৩৯ ধারা মোতাবেক অখিল গগৈ আটক রয়েছেন।

২৯ মে-তে পেশ করা চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে, সনোয়াল লেনিনের একটি ছবি আপলোড করেন এবং তাতে লেখা আছে, “পুঁজিবাদীরা আমাদের দড়ি বিক্রি করবে, যা দিয়ে আমরা ওদের ঝুলিয়ে দেব।”

গগৈয়ের সংগঠন কৃষক মুক্তি সংগ্রাম কমিটি (KMSS) অভিযোগ করেছে, এনআইএ যে ৪০ পাতার চার্জশিট পেশ করেছ, তাতে তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার মতো কোনো জোরদার সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই।

কেএমএসএস-এর সভাপতি ভাসকো সইকিয়া বলেন, এনআইএ তাঁদের নেতাদের মাওবাদী প্রমাণ করতে চাইছে। খোলা বাজারে যে বই পাওয়া যায় তা পড়াটা মাওবাদী হওয়ার সাক্ষ্যপ্রমাণ হতে পারে না। তিনি বলেন, “এনআইএ যে সব বই আটক করেছে তার মধ্যে রয়েছে ‘অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যালিজম’ আর ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’। এই বইগুলো তো খোলা বাজারে কেনা। গোটা ব্যাপারটাই হাস্যকর।”

গুয়াহাটিতে সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নিলে অখিল গগৈকে জোরহাট থেকে ১২ ডিসেম্বর অসম পুলিশ গ্রেফতার করে। আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করা সত্ত্বেও নতুন নতুন মামলা এনে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে।

সইকিয়া বলেন, সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ জনগনের আন্দোলন। “জনগণ প্রতিবাদ করছেন, কারণ তাঁরা মনে করেন, এতে তাঁদের অস্তিত্ব ও সংস্কৃতি বিপন্ন হবে। এনআইএ বলছে হিংসায় কেএমএসএস নেতাদের হাত আছে, মাওবাদী আক্রমণের সঙ্গে এই হিংসার মিল আছে। কিন্তু আমরা হিংসায় বিশ্বাস করি না।”

পড়তে থাকুন

দেশ

হোটেল, রেস্তোঁরা, শপিং মল এবং ধর্মীয়স্থানের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশিকা

নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ধর্মীয়স্থান, হোটেল, রেস্তোঁরা পুনরায় খোলার বিষয়ে গাইডলাইন বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কর্মী এবং অতিথিদের সমন্বয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা মেনে চলার কথা জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus lockdown) কড়াকড়ি শিথিল করে আগামী ৮ জুন থেকেই ধর্মীয়স্থান, হোটেল এবং রেস্তোঁরা খোলার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে কনটেনমেন্ট জোনে এই স্থানগুলি আগের মতোই বন্ধ থাকছে।

শপিং মলে জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে হ্যান্ডসানিটাইজেশন এবং থার্মাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক।

২. উপসর্গ নেই এমন ক্রেতাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে।

৩. সমস্ত কর্মী, ক্রেতা, দর্শনার্থী ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার করবেন।

৪. কোভিড-১৯ পোস্টার, স্ট্যান্ডি অথবা অডিও ভিস্যুয়াল মিডিয়া প্রদর্শন করতে হবে।

৫. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. কার পার্কিংয়েও সমস্ত নিয়ম মানতে হবে।

৭. ভিতরে ঢোকা এবং বেরনোর জন্য পৃথক পথ ব্যবহার করতে হবে, ইত্যাদি।

রেস্তোঁরার জন্য নির্দেশিকা

১. বসে খাওয়ার থেকে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দিতে হবে।

২. সরাসরি ক্রেতার হাতে খাবারের প্যাকেট হস্তান্তর করা যাবে না।

৩. হোম ডেলিভারিতে যুক্ত কর্মীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে।

৪. উপসর্গ রয়েছে, এমন কর্মীকে নিয়োগ করা যাবে না।

৫. কর্মীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৬. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৭. ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে, ইত্যাদি।

ধর্মীয়স্থানের জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

২. উপসর্গহীন দর্শনার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হবে।

৩. প্রত্যেক দর্শনার্থীকে ফেস কভার অথবা মাস্ক পরতে হবে।

৪. জুতো গাড়িতে রাখতে হবে। অথবা নির্দিষ্ট পরিবারের দর্শনার্থীদের জুতো পৃথক ভাবে রাখতে হবে।

৫. ধর্মীয়স্থান চত্তরে কোনো দোকান থাকলে সেগুলিতেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. বিগ্রহ অথবা ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করা যাবে না।

৭. বড়ো জমায়েত নিষিদ্ধ, ইত্যাদি।

সর্বসাধারণের জন্য নির্দেশিকা

১. কো-মর্বিডিটি রয়েছে এমন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক, অন্ত:সত্ত্বা মহিলা এবং ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২. কম পক্ষে ছ’ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

৪. হাতে নোংরা না লাগলেও নিয়মিত হাত ধুতে হবে। অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৫. যত্রতত্র থুতু ফেলা যাবে না।

৬. শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে যেতে হবে অথবা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতে হবে।

৭. আরোগ্যসেতু অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে, ইত্যাদি।

পড়তে থাকুন

নজরে