কলকাতা: সিবিআই, ইডি তৎপরতায় এমনিতেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে। এরই মধ্যে দল ছাড়তে চাইলেন প্রবীণ নেতা পবন বর্মা। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফার কথা জানিয়ে শুক্রবার একটি টুইট করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি।

গত ২৩ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন জেডিইউ নেতা পবনকুমার বর্মা। তিনি জেডিইউ-এর প্রাক্তন সাংসদ। প্রাক্তন জনতা দল নেতা তথা ফরেন সার্ভিস অফিসার পবন বর্মা বিহারের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের মন্ত্রীপরিষদের উপদেষ্টাপদেও ছিলেন। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দলের রাজ্যসভারও সদস্য ছিলেন।

গত নভেম্বরে নয়াদিল্লিতে মমতার সঙ্গে বৈঠকের পর পবন বলেন, “আজ আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি”। এর পরই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদে বসানো হয় প্রাক্তন এই জেডিইউ নেতাকে। কিন্তু এক বছর না ঘুরতেই তাঁর সিদ্ধান্ত বদল।

এ দিন টুইটারে পবন লেখেন, তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করা হোক। তাঁকে যে ভাবে দলে স্বাগত জানানো হয়েছিল, তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন প্রবীণ নেতা। তবে ঠিক কী কারণে তিনি তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিলেন, সে সম্পর্কে কোনো কারণ উল্লেখ করেননি ওই টুইটে।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলে যোগ দিয়ে বর্ষীয়ান নেতা বলেছিলেন, “তৃণমূল আমাকে কী দায়িত্ব দেবে, সেটা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই স্থির করবেন। তবে এটা বলতে পারি, ২০২৪-এর ভোটে র পর তিনিই দিল্লিতে সরকার গঠন করবেন”। এখন পবনের তৃণমূল-ত্যাগ জাতীয় স্তরে দলের কাছে বড়ো ধাক্কা হিসেবেই ধারণা করছেন রাজনৈতিক মহল। পবনকে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। তবে তিনি ফের জেডিইউ-তেই ফিরছেন না কি অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন, সেই বিষয়ে মন্তব্য করেননি কেউই।

আরও পড়তে পারেন: 

আরও জটিল ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়ক সংক্রান্ত মামলা, জামিনের আবেদন শুনল না সিঙ্গল বেঞ্চ

‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ ঘোষণায় বাধা চিনের, কে এই আব্দুল রউফ আজহার

ইডি-র আতসকাচে আরেকটি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ, ‘ফ্রিজ’ করা হল ৩৭০ কোটি টাকা

শুক্রবার থেকে দু’দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনে তৃণমূল, থাকবেন খোদ মমতা

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নীতীশ কুমারকে সমর্থন? কী বললেন তেজস্বী

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন