এক দশক পর ৮ লক্ষ কলেজ শিক্ষকের বেতন বাড়তে চলেছে

0
780

নয়াদিল্লি : প্রায় এক দশক পরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বাড়তে চলেছে। এই বৃদ্ধির আওতায় আসবেন প্রায় আট লক্ষ শিক্ষক। সপ্তম পে কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ২২ থেকে ২৮ শতাংশ বেতন বাড়ানো হবে। এই বৃদ্ধির আওতায় আসবেন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সমস্ত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও আইআইটি, এনআইটি-র মতো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের শিক্ষকরা। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রের খবর, এই বৃদ্ধির ফলে তিন বছরে এই খাতে ব্যয় হবে ৭০ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো সমান ভাবে এই ব্যয়ভার বহন করবে।

বেতন বৃদ্ধির হার

  • অ্যাসিস্ট্যান্ট অধ্যাপক যাঁদের গ্রেড পে ৬০০০ টাকা তাঁদের বেতন ৪৭৩০৪ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৫৭৭০০টাকা।
  • অ্যাসিস্ট্যান্ট অধ্যাপক যাঁদের গ্রেড পে ৭০০০ টাকা তাঁদের বেতন ৫৬৪৮০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৬৮৯০০ টাকা।
  • অ্যাসোসিয়েট অধ্যাপক যাঁদের গ্রেড পে ৯০০০ টাকা তাঁদের বেতন ১০৭৭৪৮ টাকা থেকে বেড়ে হবে ১৩১৪০০ টাকা।
  • অধ্যাপক যাঁদের গ্রেড পে ১০০০০ টাকা তাঁদের বেতন ১১৬০৭০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ১৪৪২০০ টাকা।
  • ভাইস চ্যান্সেলরদের বেতন ১৭৫২০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২২৫০০০ টাকা।

চলতি মাস থেকেই ইউজিসির এই সুপারিশ কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

নতুন তালিকা অনুযায়ী এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট অধ্যাপকের গ্রেড পে ৬০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০৩৯৬ টাকা হবে।  মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক জন আধিকারিক জানান, ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত শেষবার শিক্ষক শিক্ষিকাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। তার পর থেকেই বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানিয়ে আসছিল। সপ্তম বেতন কমিশমন বসাতে দেরি হওয়ায় ধর্মঘটে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে। এমনকি ইউজিসির তরফ থেকেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই মর্মে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছিল।

মন্ত্রকের এক জন আধিকারিক জানান, কেন্দ্রের অধীনে থাকা প্রযুক্তিবিদ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা ভাবে আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু সব ক’টিকে এক সঙ্গে নিয়েই বেতন বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

কেন্দ্র গত বছরে বেতন পর্যালোচনার জন্য একটা কমিটি গঠন করেছিল। এই কমিটির প্রধান ছিলেন ইউজিসির সদস্য ভি এস চৌহান। এই কমিটি চলতি বছরের শুরুর দিকে একটি সুপারিশ করে। এর প্রেক্ষিতে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক আরও একটা কমিটি গঠন করে এই সুপারিশ খতিয়ে দেখার জন্য। এই সুপারিশ অনুযায়ী বর্তমান পদ্ধতির নিরিখে শিক্ষকদের বার্ষিক কর্মক্ষমতা পুনর্মূল্যায়ন করা হয়।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here