ওয়াশিংটন: চিন বলছে ডোংলাং উপত্যকা তাদের। সেখানে রাস্তা তৈরি করার অধিকার তাদের আছে। ওই রাস্তা নির্মাণ বন্ধ করতে সিকিমে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় সেনাবাহিনী ডোংলাং-এ ঢুকে পড়েছে। ভারত আর ভুটান বলছে, চিন যাকে ডোংলাং বলছে আদতে তার নাম ডোকলাম। এই জায়গাটা ভুটানের। চিন আর ভারতকে আমেরিকা বলছে, ‘গাজোয়ারি দৃষ্টিভঙ্গি’ ছেড়ে আলোচনার টেবিলে বসো।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র গ্যারি রস পিটিআইকে বলেন, “ওই এলাকায় উত্তেজনা কমাতে গাজোয়ারি মনোভাব মুক্ত হয়ে সরাসরি আলোচনায় বসার জন্য আমরা ভারত ও চিনকে উৎসাহ দিচ্ছি।” গত এক সপ্তাহ ধরে মার্কিন বিদেশ দফতরও দু’ দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর জন্য বিবৃতি দিয়ে চলেছে কিন্তু পেন্টাগন একেবারে সরাসরি দু’ পক্ষকে মুখোমুখি আলোচনার টেবিলে বসতে বলল। এ ব্যাপারে পেন্টাগন কোনো পক্ষের দিকেই নেই বলে জানিয়ে দেন রস।

ডোকলাম নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার কোনো আশঙ্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র করছে কি না জানতে চাওয়া হলে গ্যারি রস বলেন, “আরও তথ্যের জন্য ভারত ও চিন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। উত্তেজনা কমানোর জন্য আমরা চিন আর ভারতকে মুখোমুখি কথা বলতে বলছি।”

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল চলতি মাসের শেষ দিকে বেজিং যাচ্ছেন ব্রিক্স-এর একটি বৈঠকে যোগ দিতে। তাঁর সফরের মধ্যেই দোভাল তাঁর চিনা সহকর্মীর সঙ্গে ডোকলাম ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন বলে আশা করা যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here