kurkure
ছবি: ইন্টারনেট থেকে

ওয়েবডেস্ক: গত ২০ জুলাই, শুক্রবার আচমকা টুইটার থেকে একটি ই-মেলে পেলেন নিখিল জইস। যেখানে টুইটার তাঁকে জানিয়েছে, “আপনার অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য আমরা আদালতের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। এর কারণটা হল আপনার করা একটি পোস্ট। ২০১৫ সালের জুন মাসের সেই পোস্টে লেখা ছিল ‘অলসো…ডিড ইউ ট্রাই বার্নিং কুরকুরে? ইট হ্যাজ আ প্লা”।

শুধু নিখিল নন, এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে এ দেশের প্রায় ১০০ জনকে এ ধরনের মেল পাঠানো হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে প্রত্যেকেই এ ধরনের কোনো না কোনো পোস্ট করেছিলেন বলে অভিযোগ জমা পড়েছে দিল্লি হাইকোর্টে। অভিযোগ জানিয়েছে কুরকুরের প্রস্তুতকারক সংস্থা পেপসিকো। তবে শুধু টুইটার নয়, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের পোস্টকেও আদালতের নজরে এনেছে তারা। কিন্তু ঠিক কী কারণে?

পেপসিকোর দাবি, কুরকরের প্যাকেটটি তৈরি হয় না প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য দিয়ে। তবুও কেউ কেউ মজা করে বা কোনো অভিসন্ধি থেকে এমন বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে। জানা গিয়েছে, গত ১ জুন আমেরিকার বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তিগত সংস্থাকে পেপসিকো নিজের ব্র্যান্ডের অপবাদ ছড়ানোর অভিযোগে ২.১ কোটি টাকা দাবিও করেছে। ওই সমস্ত পোস্টগুলিতে ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, কুরকুরের প্যাকেটটি প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

অবশ্য আইনি সহায়তা চেয়ে নিখিল বলেছেন, “আমার পোস্টটিতে প্লাস্টিক শব্দ ছিল না। সেখানে প্লা লেখা ছিল…অনেকেই যে ভাবে মজা করে থাকেন”।

পড়তে পারেন: বনভোজনে যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া সমেত খাদে পড়ল বাস, রায়গড়ে মৃত ৩৩

নিখিলের মতোই মেল পেয়েছেন সৃষ্টি। তিনি টুইটারে লিখেছিলেন-“কুরকুরে প্লাস্টিক সার্জারিতে ব্যবহৃত হয়”। এখন সেই তিনি বলছেন, “ওটা ছিল একটা নিরীহ রসিকতা মাত্র”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here