Petrol

ওয়েবডেস্ক: পেট্রোল-ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি হাঁকানোর প্রহর গুনছে। গত সোমবার কংগ্রেস, বামপন্থী দল-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ভারত বন্‌ধের পর দিল্লিতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেখানে কী রফাসূত্র বেরিয়েছে, তার সঠিক তথ্য না মিললেও মন্ত্রীর সঙ্গে দলের প্রধান নেতার বৈঠক নিয়ে ইতিউতি বেশ কিছু তথ্য উড়ে বেড়াচ্ছে। যদিও কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম ১৫-১৮ টাকা প্রতি লিটার কমাতেই পারে। সেটা কী ভাবে?

২০১৩ সাল থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি তুলে দেওয়া হয়েছে বাজারের হাতে। সে সময় যে কারণে ৮০ টাকা ছুঁয়ে ফেলেছিল পেট্রোল। কিন্তু তখন বিশ্ব বাজারে পেট্রোলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ১৪০ ডলার। ফলে সে সময় পেট্রোলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ বাজারের হাতে মূল্য নির্ধারণের ভার তুলে দেওয়া নয়, বিশ্ববাজারে দাম বাড়া। কিন্তু বর্তমানে যখন বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি পেট্রোলের দাম ৭০ ডলার, তখন কী ভাবে এই আকাশছোঁয়া দাম?

কংগ্রেসের দাবি, পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটি (গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স)-র আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যওয়াড়ি ভ্যাট আদায়ের বিষয়টিও নিয়ন্ত্রিত হবে।


আরও পড়ুন: ৭০ হাজার চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে কোল ইন্ডিয়া

হালের পেট্রোল-ডিজেলের এই রেকর্ড দামের নেপথ্যে রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সেটি হল সরকারি ভরতুকি। বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেলের উপর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার যে হারে ভরতুকি দিত, তা বর্তমানে হ্রাস পেয়েছে অনেকটাই।

আরও একটি কারণ, সরকারি সদিচ্ছা। সাম্প্রতিক অতীতে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের আগে টানা ১৫ দিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়েনি। সরকারি স্তর থেকেই জানা গিয়েছিল, ভোটের আগে ওই দাম না বাড়ার কারণ সরকারি নির্দেশ। সেঞ্চুরির দিকে ধাবমান দামে লাগাম পরাতে সেই ধরনের সদিচ্ছা কেন দেখাচ্ছে না সরকার, এমন প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন