ওয়েবডেস্ক: “তিন বছর ধরে আর্থিক বৃদ্ধির হার গড়ে শতকরা ৭.৫ থাকার পর গত এপ্রিল-জুন মাসে তা কমে আসে অনেকটাই। কিন্তু অর্থনৈতিক বৃদ্ধির এই ধীর গতিতে বদল আনতে আমরা বদ্ধপরিকর”, দিল্লির ইনস্টিটিউট অব কোম্পানি সেক্রেটারিজ-এর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে শোনা গেল এরকমই কিছু কথা।

বক্তৃতায় অবশ্য মোদী ইউপিএ সরকারের দিকে আঙুল তুলতে ছাড়েননি। জানিয়েছেন, “আর্থিক বৃদ্ধির হার ৫.৭ শতাংশে নেমে যাওয়ার ঘটনা এই প্রথম না। ইউপিএ জমানায় আট বার এর থেকেও কমে গিয়েছিল আর্থিক বৃদ্ধির হার।” বিমুদ্রাকরণ এবং পণ্য ও পরিষেবা কর চালু করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “সরকারের নীতি দেশের অর্থনীতিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে”। বৃদ্ধির হার শ্লথ হলেও দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি নাকি নড়বড়ে হয়নি এতটুকু, দেশবাসীর উদ্দেশে তাঁর মুখ থেকে শোনা গেল এমন আশ্বাসবাণীও।

সম্প্রতি কেন্দ্রের জিএসটি চালু করার নীতি সমালোচিত হয়েছে দেশ জুড়ে নানা মহলে। সেই ঘটনা মাথায় রেখেই দেশের মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, “অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে আর্থিক স্থিরতা যাতে ক্ষুণ্ণ না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখবে কেন্দ্র”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here