Modi

ওয়েবডেস্ক: টানটান কর্মসূচি নিয়েই উত্তরাখণ্ড সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার দিওয়ালির দিন কেদারনাথ মন্দিরে যাওয়ার পথে প্রথমে যান ইন্দো-চিন সীমান্ত এলাকা হার্সিল গ্রামে। সেখানে জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান। এর পর তিনি যান কেদারনাথ মন্দিরে। সেখানে তিন পুজো দেন। প্রার্থনা করেন।

প্রার্থনা সেরে মোদী সাক্ষাৎ দেন স্থানীয় এবং সাধারণ মানুষকে। তাঁদের সঙ্গেও দূরত্ব বজায় রেখে কথাও বলেন। শিবের স্থান মন্দিরের লাগোয়া বরফে আচ্ছাদিত গাড়োয়াল হিমালয়ান রেঞ্জের কাছে মন্দাকিনী নদীর ধারেও তিনি হেঁটে বেড়ান। সেখানে তিনি মন্দিরের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী এ দিন গোটা মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন। জানা যায়, সেখানে উপস্থিত প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের উদ্দেশে মোদী নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন যথাযথভাবে কাজ সম্পূর্ণ করেন।

এ দিন ইন্দো-চিন সীমান্তের হার্সিল গ্রামে গিয়ে কর্তব্যরত জওয়ানদের দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান মোদী। তিনি ভারতীয় সেনার উদ্দেশে বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচণ্ড ঠান্ডা এবং বরফের মধ্যে তাঁরা যে ভাবে নিজেদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন, তা প্রশংসনীয়। এ কথা মাথায় রাখা দরকার, তাঁদেরই উপরই নির্ভর করছে এ দেশের সুরক্ষা এবং ১২৫ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই প্রতিবছর দিওয়ালির দিনটা তিনি কাটান সেনাবাহিনীর সঙ্গেই। ২০১৪ সালে তিনি গিয়েছিলেন সিয়াচেনে। পরের বছর যান পঞ্জাব সীমান্ত এলাকায়। একই ভাবে ২০১৬ সালে তিনি গিয়েছিলেন হিমাচল প্রদেশের ইন্দী-তিবেটিয়ান বর্ডারের আউটপোস্টে। গত বছর দিওয়ালিতে তিনি উপস্থিত হন জম্মু-কাশ্মীরের গুরজে। আর এ বার উত্তরাখণ্ডের হার্সিলে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here