NRC,Assam

নিজস্ব প্রতিনিধি, গুয়াহাটি: গত রবিবার তামুলপুরের দিমিলাপারগ্রামের বাকসার বাসিন্দা বিনয় চন্দের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনার পরই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়দের অভিযোগ, নাগরিপঞ্জী (এনআরসি)-তে নাম তুলতে না পারার ব্যর্থতা থেকে সৃষ্টি হওয়া হতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ওই ৩৭ বছরের যুবক। যদিও সোমবার এনআরসি প্রসঙ্গটিকে কার্যত উড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রতিবেশীরা জানান, “ফরেন ট্রাইবুনালে মা শান্তি চন্দের ডি-ভোটার মামলার নিষ্পত্তিতে নিজের গচ্ছিত সমস্ত অর্থই বিনয় খরচ করে ফেলেছিলেন। এরই মধ্যে নাগরিকপঞ্জি থেকে নিজের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এক দিকে সর্বস্বান্ত হয়ে যাওয়া, অন্য দিকে আইনি নাগরিকত্ব হারানোর চাপ সহ্য করতে না পেরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত্যার পথ বেছে নেন তিনি”।

বিনয়ের মৃত্যু নিয়ে একটি এফআইআর দায়েরও হয়েছে।


আরও পড়ুন: নাগরিকপঞ্জী থেকে নাম বাদ পড়ার হতাশায় আত্মঘাতী ৩৭ বছরের যুবক

এ দিন বাকসা পুলিশে সাংবাদিক সম্মেলনে বলে, ফরেন ট্রাইবুনালে বিনয়ের পরিবারের কারও ডি-ভোটার মামলা আটকে নেই। পুলিশ সংবাদ মাধ্যমের কাছে আবেদন জানায়, এই আত্মহত্যার সঙ্গে এনআরসি প্রসঙ্গকে মিশিয়ে দিয়ে গুজব যাতে না ছড়ানো হয়।

তাদের দাবি, এনআরসির বিষয়টি সম্পূর্ণ কোর্টের বিচারাধীন। ফলে এ বিষয়ে যে কোনো ধরনের গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। যথাযথ পুলিশি তদন্তের আগেই মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ঘটনার মনগড়া কারণ ছড়াচ্ছে। বিনয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, আর্থিক অনটনের কারণেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন