Uttar Pradesh Hatras incident

খবরঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আর কতটা অমানবিক হবে! হাথরস কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের পাশে যাঁরা দাঁড়িয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্যের ১৯টি জায়গায় এফআইআর তো এমনিতেই করেছে। এ বার ওই এফআইআরে পুলিশ এমন আজব দাবি করেছে যে তাতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

পুলিশের দাবি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলার জন্য না কি মৃতার পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকার টোপ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, হাথরস কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। অভিযুক্তদের হয়ে গলা ফাটানোর জন্য তথাকথিত উচ্চবর্ণের নেতারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে, অথচ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই করছে না পুলিশ।

আবার নির্যাতিতার হয়ে বিচার চাইতে যাওয়া চন্দ্রশেখর আজাদ এবং বিরোধী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ষড়যন্ত্রের মামলা করেছে তারা। রাজ্যের ১৯টা জায়গায় এই মর্মে এফআইআর দায়ের হয়েছে। সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর পাশাপাশি দেশদ্রোহিতার অভিযোগও আনা হয়েছে। এমনকি কোভিডে প্রোটোকল ভেঙে ভিড় বাড়ানোর জন্যও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সেই এফআইআরের একটি কপিই এসে পৌঁছেছে এনডিটিভির হাতে। ওই এফআইআরে আঙুল তোলা হয়েছে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। বলা হয়েছে, “এক অপরিচিত সাংবাদিক মৃতার ভাইকে জোর করার চেষ্টা করেন, যাতে তিনি ও তাঁর পরিবার উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলে।”

এ ছাড়াও বলা হয়েছে, “অভাব্য কয়েক জন মৃতার পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকার টোপ দিয়েছিল যাতে তারা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলে।” তবে এই ‘কয়েক জন’ কারা , সে ব্যাপারে কিছু খোলসা করেনি পুলিশ।

বিরোধীদের অভিযোগ, হাথরস কাণ্ডে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে শুরু থেকেই সরকার-বিরোধীদের টার্গেট করছে পুলিশ। আর সেই কারণেই নানা মামলায় জড়ানো হচ্ছে তাদের। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত কুমার বলেছেন, “হাথরসে অনেক বড়ো ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা সব খুঁজে বের করব।”

তবে এই ষড়যন্ত্র খুঁজে বের করতে গিয়ে প্রকৃত অপরাধীরা বেকসুর হয়ে যেতে পারেন, এমন আশঙ্কাও করা হচ্ছে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

কোভিডে আক্রান্ত প্রবীণ অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভরতি হাসপাতালে

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন