ram gopal varma

ওয়েবডেস্ক: যা দেখা যাচ্ছে, জিএসটি বিষয়টি নিয়ে মানুষ একটু বেশি মাত্রায় স্পর্শকাতর। তা সে মোদী সরকারের গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স হোক বা রাম গোপাল বর্মার ‘গড, সেক্স অ্যান্ড ট্রুথ’! তবে সরকারের চাপিয়ে দেওয়া এই অতিরিক্ত করের বোঝা নিয়ে কিছু করার না থাকলেও ‘সরকার’ ছবির পরিচালকটিকে ভালো মতোই হেনস্তা করল হায়দরাবাদ পুলিশ। পাক্কা তিন ঘণ্টা ধরে জেরায় জেরায় অস্থির করে তো তুললই, সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করল পরিচালকের ফোন আর ল্যাপটপ-ও!

জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের এক নারীবাদী সংগঠনের দায়ের করা লিখিত অভিযোগের সূত্রে পুলিশি তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছে রাম গোপাল বর্মাকে। আন্তর্জাতিক পর্নস্টার মিয়া মালকোভাকে নিয়ে ‘গড, সেক্স অ্যান্ড ট্রুথ’ নামের যে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিটি বানিয়েছেন তিনি, দাবি উঠেছে তা পর্নোগ্রাফির-ই নামান্তর। ফলে, দেশীয় আইন মেনে বর্মাকে হাজিরা দিতে হয়েছে থানায়। তা ছাড়া নারীবাদী সংগঠন এই অভিযোগও তুলেছে যে ছবিটিতে নারীদের যৌনতা উপভোগের বস্তু ছাড়া আর কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই উপস্থাপিত করেননি পরিচালক।

পুলিশি জেরার মুখে বর্মা অবশ্য দাবি করেছেন যে তিনি ছবিটি পরিচালনা করলেও তা হয়েছে পরোক্ষ ভাবে। অর্থাৎ ছবিটি তৈরি হয়েছে ইউএস এবং পোল্যান্ডে। এবং তিনি অন-লাইন থেকে ছবিটি পরিচালনা করেছেন ভার্চুয়ালি। আর মিয়ার সঙ্গে তাঁর যে সব ছবি পাওয়া গিয়েছে, তা-ও যে শুটিং স্পটের নয়, ছবি নিয়ে প্রাথমিক ভাবে কথা বলার সময় তোলা- তেমনটাই বলেছেন পরিচালক। কিন্তু পুলিশ এই বিবৃতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। বর্মা সত্যি বলছেন কি না, তা যাচাই করার জন্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাঁর ফোন আর ল্যাপটপ।

“আমরা বিষয়টি ভালো করে খতিয়ে দেখছি। বর্মার সঙ্গে প্রাথমিক ভাবে যা কথাবার্তা হয়েছে, তার ভিত্তিতে আমরা তদন্ত চালাচ্ছি। পরিচালক সত্যি বলছেন কি না, তা দেখার জন্য ওঁর ফোন আর ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওঁকে বক্তব্যের যথোপযুক্ত প্রমাণ সমেত ফের থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে”, জানিয়েছে হায়দরাবাদ পুলিশ।

তবে ঘটনায় ভাঙলেও অন্তত মচকাচ্ছেন না বর্মা। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে থানায় যাওয়া থেকে শুরু করে জেরার ছবি দিয়ে ফুট কাটা তো সেরকমই ইঙ্গিত দিচ্ছে!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here