ওয়েবডেস্ক: কাঁকিনাড়া স্টেশন থেকে ঘোষপাড়া রোড ধরে জগদ্দল থানার দিকে এগোতেই বাম-কংগ্রেসের মিছিল আটকাল পুলিশ। এর পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কাঁকিনাড়া। ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় তার পরেই।

ঘটনার খবর পেয়েই চলে আসেন পুলিশ কমিশনারও। কিন্তু শান্তি মিছিল করে জগদ্দল থানায় গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার দাবিতে অনঢ় থাকেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম সম্পাদক পলাশ দাস, গার্গী চট্টোপাধ্যায়রা। পুলিশের আগে থেকেই রেখে দেওয়া বেশ কয়েকটি ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়া হয়। পুলিশের তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলেই রাস্তায় বসে পড়েন।

পুলিশ জানায়, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। যে কারণে এখানে মিছিল করা যাবে না। উপস্থিত বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব যে কোনো রকমের অশান্তি এড়িয়ে থানায় ডেপুটেশন জমা দেওয়ার দাবিতে অনড়। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাম-কংগ্রেস কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, গত ২২ জুন কাঁকিনাড়া বাজার এলাকায় বাধার মুখে পড়েন সুজন চক্রবর্তী, আবদুল মান্নান, তড়িত্‍ তোপদার-সহ বাম ও কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। তাঁরা ভাটপাড়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। 

এ দিন অবশেষে পুলিশ বেষ্ঠনীর মধ্যেই ভাটপাড়া থানায় পৌঁছায় প্রতিনিধি দল। সেখানে গিয়ে ডেপুটেশন তুলে দেওয়া হয় পুলিশ কমিশনারের হাতে।

এ দিন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বলেন, “আজকের শান্তি মিছিলে রং মুছে লোক এসেছে। শান্তি মিছিলে সবাই আসতে পারে। তৃণমূলই রাজ্যে বিজেপিকে ডেকে এনেছে। এখন দানবীয় শক্তিরূপে দেখা দিয়েছে বিজেপি। সঙ্গত দিচ্ছে তৃণমূল। এ সবের  মোকাবিলায় মিছিল হবে। মানুষ এরই প্রতিবাদ করছে। শান্তি মিছিল বার বার হবে”।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here