gujarat election bride

ওয়েবডেস্ক: আর কিছুক্ষণ পরই চলে আসবে বরযাত্রী। তাই কনের বাড়িতে তোড়জোড়ের সীমা নেই। ব্যস্ত সবাই। এরই মাঝে খবর এল যার জন্য এত আয়োজন, মানে কনেকে পাওয়া যাচ্ছে না বাড়িতে। খোঁজ খোঁজ রব সবার মুখে। গৃহস্বামীর তো অবস্থা আরও খারাপ। শেষে কি না এই ঘটনা, অপবাদ আর বদনাম ছাড়া কিছুই বরাদ্দ নেই কপালে।

লোকজন ছড়িয়ে পড়েছে চার দিকে। খোঁজ চলছে ফেনির। তাঁরই আজ পরিণয়। অনেক খোঁজাখুজির পর তাঁর হদিশ মিলল। তবে বিয়ে না করে আত্মীয়-পরিজনদের বিপাকে ফেলতে নয়, তাঁর উদ্দেশ্য নিজের ভোট নিজে দেওয়া। বাড়িতে যখন চলছে বিয়ের তোড়জোড়, রাজ্যে তখন চলছে বিধানসভার ভোটগ্রহণ। দেখা গেল সুরাতের কাতারগামে বুথের লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন সেই যুবতী। হাতে তাঁর ভোটার কার্ড। অবশ্য সারা মুখে লেপা হলুদে তাঁকে চেনে কার সাধ্যি।

এ ভাবে ভোট দিতে গিয়ে বিপাকেও পড়তে হল ফেনি পারেখকে। কারণ তাঁর মুখ-ময় হলুদের ছোপ। নির্বাচন কর্মীরা তাঁর ভোটার কার্ডের ছবির সঙ্গে কিছুতেই মেলাতে পারছেন না। বিভিন্ন পদ্ধতি, নানান কোণ থেকে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করেও তাঁরা ফেনিকে শনাক্ত করতে পারলেন না। অগত্যা তাঁরা আদেশ দিলেন, ভোট যদি দিতেই হয় তবে মুখ ধুয়ে আসতে হবে। জেদি ফেনি তাই করলেন। বাড়ি গিয়ে না-হয় আবার হলুদ লেপে নেওয়া যাবে, ভোটটা তো দিই।

ফেনির খবর ছড়িয়ে পড়তেই ইন্টারনেটে বিতর্কসভা বসে গিয়েছে। এক দল বলছে, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েই ফেনি এতটা ঝুঁকি নিয়েছেন। এর অন্য দলের দাবি, গণতন্ত্র-ফন্ত্র কিছুই নয়, স্রেফ প্রচার পাওয়ার জন্যই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন এই যুবতী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here