pollution

নয়াদিল্লি: মোটামুটি দূষণমুক্ত দীপাবলি কাটলেও, ফের দিল্লিতে দাপট দেখানো শুরু করেছে ধোঁয়াশা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে রাজধানীতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।

শীতের শুরুতে এমনিতেই কুয়াশার দাপট থাকে, তার ওপর পঞ্জাব এবং হরিয়ানা থেকে উড়ে আসে ধান পড়ানোর ধোঁয়া। এই সব মিলিয়েই সোমবার রাত থেকে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে দিল্লিতে। বাতাসের মান সংক্রান্ত সূচক (একিউআই) যদি দু’শো পেরিয়ে যায় তা হলে সাধারণ মানুষের বাইরে থাকা বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ন’টায় দিল্লি শহরের গড় একিউআই ছিল ৪১১, অর্থাৎ ‘চরম’ পর্যায়ে ছিল দূষণের মাত্রা। পড়শি নয়ডায় ছিল ২৩০।

তবে এখনও পঞ্জাব-হরিয়ানা থেকে ধান পোড়ানোর ধোঁয়া সে ভাবে দিল্লির আকাশে বাতাসে আসেনি বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ল্যাবরেটরি প্রধান দীপঙ্কর সাহা। তবে সেই ধোঁয়া এলে দিল্লির পরিস্থিতি আরও সঙ্গিন হবে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, বাতাসে আগে থেকে মজুত থাকা জলীয় বাষ্পের সঙ্গে যোগ হয়েছে স্থানীয় কল-কারখানার ধোঁয়া। তার ওপর হাওয়ার অভাবে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে দিল্লিতে।

এই কথা মাথায় রেখেই আগে থেকে ধান পড়ানো বন্ধ রাখার জন্য পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কাছে আবেদন করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এ দিন টুইটারে তিনি বলেন, “দিল্লি এখন গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছর এই সময়ে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হবেই। ব্যাপারটা মোকাবিলা করার জন্য স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রয়োজন।”

এ দিকে দিল্লির দূষণ ‘চরম’ মাত্রায় পৌঁছে যাওয়ায় শহরে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। আপাতত কয়েক দিন দিল্লির স্কুলগুলি বন্ধ রাখার জন্য আবেদন করেছেন আইএমএ সভাপতি কেকে অগ্রওয়াল। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বাড়ি থেকে না বেরোনোর জন্য আবেদন করেছেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here