করোনা সংক্রমণের হারে গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক অতিক্রম করল ভারত

0
coronavirus test
নমুনা পরীক্ষা। প্রতীকী ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১৬ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩৬০টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ফলত এ দিন সংক্রমণের হার ছিল ২.৫৬ শতাংশ। এই নিয়ে টানা ১৫ দিন দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচেই রইল। যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক অতিক্রমের সমান বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

[বজায় রাখতে হবে যাবতীয় সতর্কতা। প্রতীকী ছবি]

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৬৪০ জন। ৯১ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন কোভিড সংক্রমণ হল ভারতে। এর থেকেই ধারণা করা যায়, করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংকট ক্রমশ কেটে যাচ্ছে। তবে এই পরিসংখ্যান আশার সঞ্চার করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সম্ভাব্য নতুন প্রজাতির মোকাবিলায় যাবতীয় সতর্কতা অব্যাহত রাখতে হবে। তা ছাড়া দেশের বেশ কিছু জেলায় এখনও সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের উপরে রয়েছে।

Loading videos...

দিল্লির শিব নাদর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের স্কুল অব ন্যাচালার সায়েন্সের অধ্যাপক নাগা সুরেশ বীরাপু জানিয়েছেন, “সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে যাওয়ায় ধরে নেওয়া যেতে পারে, দ্বিতীয় ঢেউ ঠিক যে ভাবে দ্রুত চুড়োয় পৌঁছেছিল, একই ভাবে তা খাদে নেমে এসেছে। কিন্তু এর পরই ডেল্টা প্লাসের মতো নতুন করোনা প্রজাতির আগমন নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে”।

ডেল্টা প্লাসে রূপান্তরের সম্ভাবনা

[নমুনা পরীক্ষা। প্রতীকী ছবি: এনডিটিভি থেকে]

ডেল্টা অথবা বি.১৬১৭.২ প্রজাতির ডেল্টা প্লাসে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা সামনে রাখছেন বিজ্ঞানীরা। দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণ ছিল এরাই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এদের রূপান্তরিত প্রজাতির কবলে পড়তে পারে ভারত, ব্রিটেন-সহ আরও কিছু দেশ।

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, কোনো দেশ বা অঞ্চলে টানা ১৪ দিন সংক্রমণের হার (টেস্ট পজিটিভিটি রেট) ৫ শতাংশের নীচে থাকলে, সে ক্ষেত্রে বলা যায়, সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। নাগা সুরেশ বলেছেন, গত ফেব্রুয়ারিতেও প্রথম ঢেউ নিষ্প্রভ হয়ে পড়তেই নিয়ন্ত্রণবিধি শিকেয় উঠেছিল। যার চরম পরিণতি ভুগতে হয়েছে দ্বিতীয় ঢেউয়ে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর কাছে তিনি বলেন, গত মার্চে দেশের বিভিন্ন অংশে ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম ঢেউয়ের সমাপ্তি এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংযোগস্থলে ডেল্টা প্রজাতির সংক্রমণ ছড়ানো শুরু হয়। সেই সময়টা সংক্রমণের হার ছিল মাত্র ১ শতাংশ। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, সংক্রমণের হার নতুন চুড়োয় পৌঁছায়। ফলে কোনো ধরনের ঢিলেমি ফের বড়োসড়ো বিপদ ডেকে আনতে পারে।

আরও পড়তে পারেন: রেকর্ড! একদিনে ভারতে টিকা পেলেন প্রায় ৮৬ লক্ষ মানুষ, শুধুমাত্র মধ্যপ্রদেশেই ১৬ লক্ষের বেশি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.