Connect with us

দেশ

দেশের সব হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার ভুয়ো খবর ওড়াল কেন্দ্র

খবর অনলাইনডেস্ক: আবার ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই খবর পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

করোনাভাইরাস (Coronavirus) যে ভাবে গোটা দেশে ছড়াচ্ছে, তার থেকে দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ভুয়ো খবর। কিছু দিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপে (Whatsapp) একটা খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই খবরে জানানো হচ্ছে যে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক (Ministry of Tourism)।

আর এমন খবর পেয়ে কিছু না যাচাই করেই অনেককে ফরওয়ার্ড করে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তবে একটু বুদ্ধি খাটালেই বোঝা যায় এমন খবরের কোনো সত্যতা নেই। যে দেশে এখনও পর্যন্ত ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, সেখানে কী ভাবে হোটেল, রেস্তোরাঁ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ করে রাখা যায়?

সরকারি সম্প্রচার চ্যানেল প্রসার ভারতী (Prasar Bharti) থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে যে খবর ঘুরছে সেটি পুরোপুরি ভুয়ো। প্রসার ভারতী থেকে একটি টুইটে বলা হয়েছে, “সোশ্যাল মিডিয়ায় হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার ব্যাপারে যে রিপোর্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটি ভুয়ো। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক এমন কোনো নির্দেশ দেয়নি।”

বর্তমানে দেশের সব হোটেল বন্ধ রয়েছে শুধুমাত্র সেই সব হোটেল ছাড়া যেখানে লকডাউনের আগে পর্যটকরা আটকে পড়েছেন আর বেরোতে পারেননি। উত্তরাখণ্ডের চৌকরিতে এমনই একটি হোটেলে আটকে গিয়েছেন একটি বাঙালি পর্যটক দলও।

আরও পড়ুন ওষুধ পেতেই সুর বদলে গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

তবে এটাও ঠিক, লকডাউন উঠলেই যে হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলিতে স্বাভাবিক ছন্দে কাজ শুরু হবে, তেমনটা নাও হতে পারে। ধাপে ধাপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে।

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে